জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার বালার বাজারে নকল-টি টি বিক্রি হচ্ছে এই মর্মে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে ৯ ডিসেম্বর রবিবার শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানকালে মেসার্স খান ফার্মেসী, মা মেডিসিন কর্নার এবং হক ফার্মেসী হতে নকল টি টি ভ্যাকসিন, ভারতীয় যৌন উত্তেজক, সেনেগ্রা ট্যাবলেট সহ বিপুল পরিমানে ফিজিসিয়ান স্যাম্পল সহ নকল ভেজাল নিম্নমানের বিক্রয় নিষিদ্ধ ঔষধ উদ্ধার করা হয়। বৈধ ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়া ঔষধ ব্যবসা পরিচালনা করা এবং নকল ভেজাল ঔষধ মজুদের দায়ে উল্লেখিত ফার্মেসী সমুহকে ড্রাগ এ্যাক্ট-১৯৪০ এর ১৮, ২৭ ধারায় অভিযুক্ত করে যথাক্রমে ১০ হাজার, ৫ হাজার এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযান প্রসঙ্গে শরীয়তপুরের ড্রাগ সুপার মোঃ নুরুল আলম বলেন, টি টি ভ্যাকসিন ২-৮ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হয়, নইলে এর কার্যকারিতা থাকে না । চোরাইপথে আসা ভারতীয় টি টি ভ্যাকসিন সহ নকল ভেজাল নিম্নমানের ঔষধ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। এ ধরনের ঔষধ সেবনে জীবন রক্ষার চেয়ে জীবন বিপন্ন হওয়ার সম্ভবনাই বেশি। তাছাড়া দেশের চাহিদা মিটিয়ে যেখানে ইউরোপ আমেরিকা সহ বিশ্বের ১৯০ টি দেশে বাংলাদেশের ঔষধ রপ্তানি হচ্ছে সেখানে এক শ্রেণির অসাধু ঔষধ ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারী পরষ্পর যোগসাজশে নকল ভেজাল নিম্ন মানের ঔষধ মিটফোর্ড ভিত্তিক কালো বাজারী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরবরাহ করে দেশের মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে টেলে দিচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শরীয়তপুর বাসীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে শরীয়তপুরের প্রশাসন বদ্ধ পরিকর। বারবার তাগাদা দেয়া সত্যেও ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসী সমূহ সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। তাই ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসী সমূহকে বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট আগামী ৭ দিনের মধ্যে ড্রাগ লাইসেন্স করার নির্দেশ প্রদান করেন।
ঔষধ প্রশাসনের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ড্রাগ সুপার আলম সাংবাদকিদরে টেলিফোনে জানান। শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শেখ জাবের আহমদ এবং হোসনে আরা সংগীয় ফোর্স ও সহকারীদের নিয়ে উল্লেখিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন