শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা হাসপাতালে প্রতিদিনই নতুন নতুন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী, চলতি মাসে হাসাপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭জন।
৯ জুলাই রোববার গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সড়েজমিন গিয়ে দেখা গেলো হঠাৎ নতুন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী সংক্রমিত হয়ে ২ দিনে ৬জন ভর্তি হয়েছে। এ অবস্থায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্কে আছে জনসাধারণ। হাসপাতালটিতে আলাদাভাবে চিকিৎসা দেয়ার জন্য ডেঙ্গু কনার খুলেছেন হসপাতালটির কর্তৃপক্ষ।
অধিকাংশ রোগী ও স্বজনরা দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন, রোগীর হঠাৎ করে জ্বর, বমি, মাথা ও শরীর ব্যথার উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ডেঙ্গু জ্বর ধরা পড়ছে। পরে তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ হাফিজুর রহমান দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন, চলতি জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী সনাক্ত করা হয়েছে। জুলাই মাসের ৪ তারিখ থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় ১১জন । হঠাৎ সংক্রমিত হয়ে নতুন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী ২ দিনে ৬জন বৃদ্ধিপেয়ে ১৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোনো ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়নি। এ অবস্থায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্কে আছে জনসাধারণ। হাসপাতালটিতে আলাদাভাবে চিকিৎসা দেয়ার জন্য ডেঙ্গু কনার খোলা হয়েছে। মশারি টানানো, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সচেতনতার প্রতি জোর দেওয়া হচ্ছে। সচেতনতার অভাবে রোগীরা বেশিরভাগ সময় হাসপাতাল থেকে না বলেই বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। এডিস মশার উৎপত্তিস্থল শনাক্ত করতে না পারি, তা হলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাটিও শনাক্ত করতে পারব না। এতে গ্রামাঞ্চলেও এ রোগ ছড়িয়ে পড়বে এবং রোগ মোকাবিলা করা আমাদের জন্য কঠিনতর হয়ে পড়বে। জনসচেতনতা সৃষ্টি ও মশার উৎপত্তিস্থল শনাক্ত করে তা ধ্বংস করা গেলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

মন্তব্য করুন