পানিসম্পদ উপ পমন্ত্রীর একেএম এনামূল হক শামীম এমপির উদ্যোগে তারাবুনিয়া হাসপাতালে অবশেষে পূর্ণমাত্রায় সেবা দান শুরু হয়েছে।
দীর্ঘ অবহেলার পর অবশেষে তারাবুনিয়া ২০ শয্যা হাসপাতালে পরিপূর্ণ সেবাকার্যক্রম শুরু করেছে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। স্থানীয় সাংসদ পানি সম্পদ উপমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় হাসপাতালটিতে বর্তমানে বহির্বিভাগের কার্যক্রমসহ প্রায় সব ধরণের সেবা চালু হয়েছে। এর আগে ২১ জুন ২০২১ সালে হাসপাতলটি পরিদর্শ শেষে পরিপূর্ণ সেবা চালু করার আস্বাস প্রদান করেন উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। এ সময় তিনি স্বাস্থ্য বিভাগের ডিজি ও সচিবের সাথে কথা বলে অবহেলিত হাসপাতালটির কার্যক্রম আরো গতিশীল করার সুপারিশ করেন।
শরীয়তপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানা যায়, শরীয়তপুরের সখিপুর থানার চরসেনসাস ইউনিয়নে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ডাঃ ইসমাইল বেপারীর উদ্যোগে স্থাপিত হয় ২০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালটি। হাসপাতালটি নির্মাণের জন্য জমি দান করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ডাঃ মোঃ ইসমাইল বেপারী, মোহাম্মদ ইউনুস বেপারী, মোঃ বাচ্চু মিয়া দর্জি। কিন্তু নির্মানের পর থেকেই হাসপালটিতে পূর্ণমাত্রায় জনবল নিয়োগ না করায় স্বাস্থ্য সেবায় ব্যাঘাত ঘটে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালটিতে বর্তমানে প্রতিদিন ৩০-৪০ জন রোগী আসেন। সেখানে বহির্বিভাগের সামগ্রিক সেবা প্রদান করা হচ্ছে। মেডিকেল অফিসার, নার্স, এএসসিএমও সহ বিভিন্ন পদের লোকজন দায়িত্ব পালন করছেন।
সেবা নিতে আসা (আমেনা খাতুন, সাহাবুদ্দিন মিয়া) বলেন, আগে থেকে এখন অনেক ভালো চিকিৎসা পাওয়া যায়। ঔষধও আছে। ডাক্তরা আসেন। আমাদের জন্য খুবই উপকার। নয়তো চাঁদপুর বা ভেদরগঞ্জ যাইতে হয়।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাসান ইবনে আমিন বলেন, বর্তমানে হাসপাতালটিতে ৩জন মেডিকেল অফিসার, নার্স, ক্লিনার নিয়মিত কাজ করছে। মন্ত্রী স্যারের নির্দেশনা রয়েছে, আমরাও স্বাধ্যমত সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। দ্রুতই বাকী কার্যক্রমগুলো শুরু হবে।

মন্তব্য করুন