শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় করনহোগলা গ্রামে জোর পূর্বক জমি দখল করে ঘর তোলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সেন্টু সরদারগংদের বিরুদ্ধে। শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের করনহোগলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নড়িয়া থানায় একটি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আশ্রাফ আলী সরদার।
ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, নড়িয়া উপজেলার ৮০নং করনহোগলা মৌজার ১/২৫ নং খতিয়ানের ৪নং দাগের আট শতাংশ জমি বন্ধোবস্ত মূলে মালিক করনহোগলা গ্রামের মৃত মন্তাজদ্দিন সরদারের ছেলে আশ্রাফ আলী সরদার। কিন্তু সেই জমিতে চোখ পরে একই গ্রামের ইসমাইল সরদারের ছেলে সেন্টু সরদার (৩০), হাবিবুর রহমান হাওলাদারের ছেলে সফিক হাওলাদার (৩৭) ও স্বর্ণখোলা গ্রামের মৃত মকিম আলী হাওলাদারের ছেলে হাবিবুর রহমান হাওলাদারের (৬৮)। দীর্ঘদিন যাবত সেই জমি দখল করার জন্য পায়তারা করছে সেন্টু সরদারগংরা। এ ঘটনায় শরীয়তপুর অতিরিক্ত জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা রয়েছে। মামলা থাকা সত্বেও গত ১১ জুন মঙ্গলবার সেই জমিতে সেন্টু সরদার তার লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক টিনের ঘর তোলে। বাঁধা দিতে গেলে সেন্টুগংরা বিভিন্ন ভয়ভীতি ও মৃত্যুর হুমকি দেয় আশ্রাফকে। এ ঘটনায় আশ্রাফ আলী সরদার বাদী হয়ে নড়িয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন।
আশ্রাফ আলী সরদার বলেন, ৮ শতাংশ জমির মালিক আমি। ওই জমির সরকারি কর পরিশোধ করে আসছি দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু সেই জমি জোরপূর্বক দখল করতে চায় সেন্টু, সফিক ও হাবিবুর রহমান। শুধু তাই নয় ওরা বিভিন্ন ভয়ভীতি ও মৃত্যুর হুমকি দেয় আমাকে। আমি নিরাপদহীনতায় ভুগছি। এর সঠিক বিচার দাবী করছি।
এদিকে, সেন্টু সরদার বলেন, জমি নিয়ে মামলাও চলছে। ওই জমি আমাদের। আশ্রাফ আলী আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করছে।
নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন