পিয়ংইয়ং, ২৪ অক্টোবর ২০২৫:
উত্তর কোরিয়ায় আত্মহত্যা দীর্ঘদিন ধরেই আইনত নিষিদ্ধ। তবে এবার দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন এ নীতিতে যুক্ত করেছেন আরও কঠোর শাস্তি। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কেউ আত্মহত্যার চেষ্টা করে বেঁচে গেলে তাকেই মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে উত্তর কোরিয়ায় আত্মহত্যার হার গত বছরের তুলনায় ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। অর্থনৈতিক সংকট, খাদ্যাভাব ও সামাজিক অস্থিরতাকে এ প্রবণতার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সংস্থাটির এক মুখপাত্র বলেন, “উত্তর কোরিয়ায় সাধারণ মানুষ অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বাড়ছে এবং আত্মহত্যার ঘটনা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।”
সম্প্রতি রায়ংগং প্রদেশে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কর্মকর্তারা স্বীকার করেন, অনাহারে মৃত্যুর তুলনায় আত্মহত্যার সামাজিক প্রভাব আরও গভীর। বৈঠকে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “জেনারেল সেক্রেটারি আত্মহত্যা প্রতিরোধ নীতি অনুমোদন করলেও কার্যকর সমাধান এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। কারণ বেশিরভাগ মানুষ দারিদ্র্য ও ক্ষুধার কারণে জীবন শেষ করতে বাধ্য হচ্ছেন।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন শাস্তি নীতি উত্তর কোরিয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আরও উদ্বেগ সৃষ্টি করবে। একই সঙ্গে দেশটির ভেতরে ভয় ও আতঙ্ক বাড়িয়ে তুলতে পারে।




মন্তব্য করুন