সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের স্মরণে রাজধানীর গুলশানে ‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’ সড়কের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কের নামফলক উন্মোচন করেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ চায়। কাঁটাতারে ঝুলে থাকা ফেলানীর নিথর দেহ আমাদের যে নৃশংসতার কথা মনে করিয়ে দেয়, এই সড়কটি বিশ্ববিবেকের কাছে সেই বার্তা প্রতিদিন পৌঁছে দেবে।
বিজয় দিবসের বিকেলে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী ফেলানী হত্যাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন। ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, এই নামকরণ বাংলাদেশের আত্মসম্মান ও প্রতিবেশী দেশের সাথে সমমর্যাদার পররাষ্ট্রনীতির প্রতীক হিসেবে কাজ করবে।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের সীমান্তে ফেলানী খাতুন নিহত হওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সংগঠন এই নামকরণের দাবি জানিয়ে আসছিল। অন্তর্বর্তী সরকার সেই দাবি পূরণ করে সড়কটি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’ হিসেবে ঘোষণা করল। অনুষ্ঠানে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন