বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক গণসংবর্ধনায় যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর ২০২৫) সকাল থেকেই সারা দেশ থেকে রাজধানী অভিমুখে লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থকের নজিরবিহীন জনস্রোত শুরু হয়েছে।

দেশের প্রতিটি বিভাগ ও জেলা থেকে বাস, লঞ্চ এবং বিশেষ ট্রেনের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে ঢাকার পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফুট সড়ক) অভিমুখে যাত্রা করছেন।

মাদারীপুর থেকে ভোররাত থেকেই প্রায় ৩০ হাজারের বেশি নেতাকর্মী আনন্দ উল্লাস নিয়ে রাজধানী অভিমুখে রওয়ানা দিয়েছেন, যাদের দাবি ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতেই এই উপস্থিতি।

টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেলস্টেশন থেকে চারটি বিশেষ ট্রেন ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে এবং সিরাজগঞ্জ বাজার স্টেশন থেকেও একটি বিশেষ ট্রেনে চড়ে ভোরেই রওয়ানা দিয়েছেন সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের আইকনিক স্টেশন থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং তুর্ণা এক্সপ্রেসসহ নিয়মিত ট্রেনগুলোতেও অতিরিক্ত বগি সংযোজন করে নেতাকর্মীরা রাজধানী আসছেন।

উত্তরাঞ্চলের অন্যতম ঘাঁটি বগুড়া থেকে ৫০০টিরও বেশি বাসে চড়ে নেতাকর্মীরা ঢাকার পথে রয়েছেন এবং রাজশাহী থেকে আসা ধুমকেতু এক্সপ্রেসে যুক্ত করা হয়েছে তিনটি অতিরিক্ত বগি।

বরিশাল নদীবন্দর ও পটুয়াখালী থেকে ছয়টি বিশালাকৃতির লঞ্চে কয়েক হাজার নেতাকর্মী মধ্যরাতেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন, যা টার্মিনাল চত্বরকে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে।

ভোলা থেকে ১৫টি এবং চাঁদপুর থেকে ৩টি লঞ্চ রিজার্ভ করা হয়েছে এবং সিলেট থেকে আসা ট্রেনেও যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত তিনটি বগি, যাতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

পঞ্চগড় থেকে একটি বিশেষ ট্রেন এবং সিরাজগঞ্জের মালশাপাড়া থেকে শতাধিক বাসযোগে নেতাকর্মীরা ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে এসে ভিড় জমাচ্ছেন বলে বিভিন্ন প্রতিনিধি নিশ্চিত করেছেন।

বিকেল নাগাদ ৩০০ ফিট এলাকা এক বিশাল জনসমুদ্রে রূপ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে তারেক রহমান স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ উপস্থিত হবেন।

Facebook Comments Box