নির্বাচনী দায়িত্ব পালনরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ দেখানোর ঘটনায় নির্বাচন কমিশনে (ইসি) হাজির হয়ে নিজের আচরণের ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি দাবি করেন, প্রশাসন ও পুলিশের একপাক্ষিক আচরণের কারণেই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
রুমিন ফারহানা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি লিখিত জবাব দিয়েছি। আজ সশরীরে এসেও কমিশনকে জানিয়েছি যে, মাঠ পর্যায়ে প্রশাসন ও পুলিশ যতটা নিরপেক্ষ থাকার কথা, ততটা থাকছে না। আমার কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা করা হচ্ছে, মাথা ফাটানো হচ্ছে, এমনকি আগুনও দেওয়া হয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত কোনো মামলা নেওয়া হয়নি।’
ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে আচরণের বিষয়ে সরাসরি ক্ষমা না চেয়ে বরং পরিস্থিতির দায় প্রশাসনের ওপর চাপিয়ে রুমিন বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমাকে বড় শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে। প্রশাসন যদি একদম সোজা পথে নিরপেক্ষ না থাকে এবং ২০১৮ সালের মতো আরেকটি কারচুপির নির্বাচনের চেষ্টা হয়, তবে তার পরিণতি কারও জন্য ভালো হবে না। ১৫ বছর মানুষ লড়াই করেছে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য।’
তিনি আরও জানান, আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পর্যবেক্ষকদের সঙ্গেও তার বৈঠক রয়েছে এবং সেখানে তিনি মাঠ পর্যায়ের এসব চিত্র তুলে ধরবেন। উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন রুমিন। প্রচারণার প্রথম দিনেই ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে এবং আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করে তিনি শোকজের মুখে পড়েন।

মন্তব্য করুন