Tuesday 16th April 2024
Tuesday 16th April 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

টোল আদায়ে উঠে গেছে বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্মাণ ব্যয়

টোল আদায়ে উঠে গেছে বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্মাণ ব্যয়

যমুনা নদীর উপর প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু সেতু তৈরিতে যে অর্থ ব্যয় হয়েছিল, টোল থেকে তা ইতোমধ্যে সেই অর্থ আদায় হয়ে গেছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এতথ্য জানিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণে তিন হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। টোল বাবদ এতদিনে আদায় রয়েছে চার হাজার ৯৮৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। নির্মাণ ব্যয়ের তুলনায় টোল থেকে এক হাজার ২৪১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা বেশি আদায় হয়েছে।

উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে মধ্যাঞ্চলের সরাসরি সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপনে নির্মিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু। ১৯৯৮ সালের জুন মাসে সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়।

বঙ্গবন্ধু সেতু পারাপারে প্রতিটি বড় বাসকে ৯০০ টাকা, ছোট বাসকে ৬৫০ টাকা, বড় ট্রাককে ১৪০০ টাকা, মাঝারি ট্রাককে ১১০০ টাকা এবং ছোট ট্রাককে ৮৫০ টাকা হারে টোল দিতে হয়।

সেতুটি নির্মাণে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ ২০৩৪ সাল নাগাদ পরিশোধ শেষ হবে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আদায় করা টোল দিয়ে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়সহ সেতু কর্তৃপক্ষের অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের পর ঋণ পরিশোধ করা হয়ে থাকে। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় ঋণ পরিশোধেও দেরি হচ্ছে।

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, সেতু নির্মাণের পর প্রথম বছরে টোল থেকে আদায় হয়েছিল ৯৯ লাখ টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে আদায় হয়েছে ৫৪৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং চলতি অর্থ বছরের প্রথম ছয় মাসে আদায় হয়েছে ২৮৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন সংসদে বলেন, ঢাকা শহরের চতুর্দিকে বৃত্তাকার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১৯ শতাংশ। এ প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান। তারপর সমীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

রেলমন্ত্রী জানান, ঢাকা হতে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের মাঠ পর্যায়ের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১৬ দশমিক ৭০ শতাংশ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম ভায়া কুমিল্লা/লাকসাম দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ চলমান বলেও জানান রেলমন্ত্রী। এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ২১ শতাংশ।

নুরুল ইসলাম বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিরতিহীনভাবে ৫৭ মিনিটে এবং বিরতি দিয়ে ৬৯ মিনিটে ঢাকা হতে চট্টগ্রাম যাওয়া সম্ভব হবে।

২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত এক লাখ ৮ হাজার ৬১৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে রেলওয়ের ৮১টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান রেলমন্ত্রী।