শরীয়তপুরে পেয়াজের পাইকারী মূল্য ৪ঠা জানুয়ারি শনিবার-১৫০ টাকা ও ৫-ই জানুয়ারি রবিবার-১০০ টাকা এবং খুচরা মূল্য শনিবার-১৮০ টাকা ও রবিবার-১২০ টাকা। একদিনের এমন দরপতনে ক্রেতারা হতাশ, তারা পরেছে বেকায়দায়। আসলে বাজারের এমন অবস্থার জন্য দায়ী কারা। বাজার ব্যবসায়ীরা জানান, কাচাবাজার দরপতন ও উর্ধ্বগতি হওয়াটা স্বাভাবিক। বিশেষ করে পেয়াজ চাহিদা মোতাবেক আমদানি না হলে বাংলাদেশের কৃষকরা কমমূল্যে পেয়াজ ছাড়তে চায় না। যার কারনে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বাজারের চাহিদা পূরনকল্পে কৃষকদের নিকট থেকে প্রতিযোগিতা করে বেশী দাম দিয়ে ক্রয় করে, খুচরা ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় করে। এমতাবস্থায় পেয়াজের দাম কমবেশি হওয়াটা স্বাভাবিক।
টিসিবি’র লাইসেন্সধারী স্বপন মুন্সী জানালেন, কিছুদিনের মধ্যে পাকিস্তান থেকে আমদানিকৃত পেয়াজ ৩৫ টাকা দরে ন্যায্যমূল্যে পাওয়া যাবে। কিছুটা হলেও চাহিদা পূরণ হবে। বিশেষজ্ঞরা দাবী করছেন, সরকার কৃষকদের থেকে পেয়াজ ক্রয় করে ভর্তুকি দিয়ে বাজারে ছাড়লে সাধারণ জনগণ ও গরীব ক্রেতারা স্বস্তি পেত। পেয়াজের কারসাজিও দূর হতো এবং নির্দিষ্ট কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হতে পারতো না। এছাড়া পেয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করা উচিত। সরকারিভাবে পাইকারি-খুচরা স্টল বসানো উচিত। তাহলে দেখা যাবে, ব্যবসায়ীরা সোজা হয়ে গেছে। যারাই যে পণ্য নিয়ে ষড়যন্ত্র করবে, তা সরকারিভাবে পাইকারি-খুচরা স্টল বসিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।

Facebook Comments Box