শরীয়তপুর জেলাধীন নদ-নদীর অবস্থা ও অবস্থান ”ভাঙন রোধ ও উন্নয়নে টেকসই ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক কর্মশালায় এসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ১৯৭২ সাল থেকেই নদীর ভাঙনের কবলে পরেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে আমরা ৫০ টি জেলায় ঘুরেছি। তবে দেখলাম শরীয়তপুর পদ্মার কবলে পড়েছে । বিশেষ করে নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলা । দুই উপজেলার ভাঙন কবলিত মানুষের সাথে কথা বলেছি। তাদের চাওয়া পাওয়ার বিষয়ে জেনেছি।
তিনি বলেন, নদী ভাঙন রোধ কিভাবে করলে টেকসই হবে ? সেই বিষয়ে আমরা আলোচনা করবো। ভাঙন রোধে নড়িয়া-জাজিরা ৯ কিলোমিটার নদী বাধ রক্ষায় এক হাজার ৯৭ কোটি টাকা একনেটে একটি প্রকল্প পাশ হয়েছে। ইতিমধ্যে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে কাজ চলছে। টেকসইভাবে ভাঙন রোধ করতে গভেষনা চলছে। রাস্তা ঘাট অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে নদী রক্ষা কমিটির ও মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে।
তিনি বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকায় নজর রাখছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, ৪৮ নদী সমীক্ষা প্রকল্পের (১ম পর্ব) আয়োজনে, শরীয়তপুর নদী রক্ষা কমিটির সহযোগিতায় কর্মশালায় এসে তিনি এসব কথা বলেন।
শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষানিক সদস্য মো. আলাউদ্দিন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবদুল মাননান।
এ সময় শরীয়তপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. খলিলুর রহমান, নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা ইয়াসমিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুর রহমান শেখ,
জাজিরা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কামরুল হাসান, জেলা আওয়মী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, রেভিনিউ ডেপুটি কালেকটর মো. মনোয়ার হোসেন, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৗেশলী তারেক হাসানসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, জনপ্রতিনিধি, ভাঙ্গন প্রবন এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডডিয়ার সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালার সঞ্চালনায় ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মো. মামুন আল হাসান।

মন্তব্য করুন