বৃহস্পতিবার, ১১ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১১ই আগস্ট, ২০২২ ইং

শরীয়তপুর পদ্মার ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শনে পানি সম্পদ মন্ত্রী

শরীয়তপুর পদ্মার ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শনে পানি সম্পদ মন্ত্রী

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২’শ বছরের পুরাতন মূলফৎগঞ্জ বাজার ও আশপাশ এলাকায় পদ্মার ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পর্যবেক্ষণ করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।
মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় ঢাকা থেকে নৌ-পথে সুরেশ্বর লঞ্চ ঘাটে আসেন মন্ত্রী। সেখান অপেক্ষারত জেলার কর্তাব্যক্তিদের নিয়ে স্পীড বোটে ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শণ করেন। পরিদর্শণ শেষে সুরেশ্বর বাজারে সাংবাদিকদের সাথে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ১১’শ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মার ডান (দক্ষিণ) তীর রক্ষায় ৯ কিলোমিটার রেড়িবাঁধ নির্মাণ হবে। আগামী অক্টোবরের মধ্যেই কাজ শুরু হবে। পদ্মার ডান তীর রক্ষা বাঁধ একনেকে উঠাইতে অনেক বছর লেগেছে। গত ২ জানুয়ারী একনেকে পাশ হওয়ার পর পানি উন্নয়ণ বোর্ডের (পাউবো) নিজস্ব কিছু প্রক্রিয়া ছিল। পাউবোর প্রক্রিয়া শেষে আমার মন্ত্রণালয়ে আশার পর ১৬টি টেবিলের কাজ হয়েছে। প্রতি টেবিলে ৩ দিন করে সময় নিলে অনেক সময় ব্যয় হয়ে যায়। প্রক্রিয়াগত কারনেই বিলম্ব হয়েছে। পদ্মার ভাঙ্গণ কবলিত এলাকার মানুষ প্রকৃতির সাথে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকে। এ এলাকাকে দূর্যোগপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করা ভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজ। পদ্মার এ পাড় রক্ষা হলে অপর পাড়ে ভাঙ্গণ দেখা দিবে। তখন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। সে এলাকাও দূর্যোগপূর্ণ এলাকা ঘোষনা করতে হবে। প্রধান মন্ত্রী আপনাদের এলাকার খোঁজ খবর রাখেন। পদ্মার ভাঙ্গণ রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন প্রধান মন্ত্রী। আমার এলাকায় এ দূর্যোগ হলে এত দ্রুত ব্যবস্থা নিতেন না। যে সকল ব্যক্তিদের স্বেচ্ছাচারিতার কারনে প্রকল্প বিলম্বিত হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেনা বলেও জানান তিনি। পদ্মার বাঁধ নির্মাণে মন্ত্রী আসা-যাওয়া কোন ফলপ্রশু হবেনা বলেও জানান মন্ত্রী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামিম, সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত আসন) নাভানা আক্তার, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের, পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, সিভিল সার্জণ ডা. খলিলুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসরাম, নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা ইয়াসমিন, নড়িয়া থানা অফিসার ইনচাজ খলিলুর রহমান, নড়িয়া উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, মহিলা ভাইস চেযারম্যান নাজমা আক্তার, নড়িয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি হাসান রাড়ি, সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান খোকন প্রমূখ।


error: Content is protected !!