শরীয়তপুরে করোনা ভাইরাস বিস্তৃতিরোধে আইনশৃঙ্খলা ও বাজার নিয়ন্ত্রণে তৎপর সদর প্রশাসন। পবিত্র রমজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কালোবাজারি ও মজুদদারী রোধে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে কাজ করে যাচ্ছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসন। পাশাপাশি করোনার বিস্তৃতিরোধে লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। লকডাউন নিশ্চিত করতে জেলা উপজেলার নির্দিষ্ট স্থানে পুলিশের চেকপোষ্ট বসেছে, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে শ্রমজীবী অসহায়দের খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরন করতে সচেতনতা লিফলেট, মাস্ক, ঔষধ বিতরণ এবং ফ্রি মেডিক্যাল টিম গঠণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পালং মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ আসলামউদ্দিনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন, করোনা নিয়ে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ আতঙ্ক দেশের জেলা ও উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। যার জন্য সরকার বিভিন্ন জেলাকে লকডাউন ঘোষনা করেছে। যাতে করে মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যার যার বাড়িতে অবস্থান করতে পারে। লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মানুষ যাতে বাজার ও রাস্তাঘাটে চলাচল করে সেজন্য প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে। তাছাড়া পবিত্র রমজানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন মিলে বিভিন্ন বাজারের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কালোবাজারি ও মজুদদারী রোধে মনিটরিংসহ প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করে সচেষ্ট হয়ে কাজ করে যাচ্ছি।
সদর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তা এ বিষয়ে মুঠোফোনে বলেন, পবিত্র রমজানে করোনার এ প্রাদুর্ভাবে আমাদের আইনশৃঙ্খলা ও বাজার নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে উপজেলার কিছু কিছু বাজারে কাচাবাজার, ঔষধ ও মুদি পণ্য ছাড়াও অন্যান্য পণ্যবাহী দোকান খোলার খবর আমাদের কাছে আসছে। আমরা খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম করলে বাজার নিয়ন্ত্রণ থাকছে আবার চলে আসলে যেই সেই অবস্থার কথা শুনছি। মূলত সকলে নিজ উদ্যোগে সচেতনমুখী না হলে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব।
Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন