বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শপথ গ্রহণের পর নতুন সরকার প্রধানের বেতন-ভাতা ও রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়ে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিদ্যমান ‘দ্য প্রাইম মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬’ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা।
আইন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মাসিক ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা মূল বেতন পাবেন। সরকারি বাসভবনে থাকার সুবিধা থাকলেও নিয়ম অনুযায়ী তিনি মাসে ১ লাখ টাকা বাড়ি ভাড়া ভাতা পাবেন। এছাড়া দায়িত্ব পালনকালীন দৈনিক ভাতা হিসেবে নির্ধারিত আছে ৩ হাজার টাকা।
বেতন ও ভাতার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক নিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাধীন তহবিলের বিধান রয়েছে। বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে তিনি ২৫ লাখ টাকার বিমা কভারেজ পাবেন। এছাড়া আর্তমানবতার সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য তার অধীনে দেড় কোটি টাকার একটি ‘স্বেচ্ছাধীন তহবিল’ অর্পিত থাকে।
রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের যাবতীয় খরচ যেমন—বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও অন্যান্য ইউটিলিটি বিল সরকারি তহবিল থেকে পরিশোধ করা হবে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান এসব রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও দায়বদ্ধতার অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলেন।

মন্তব্য করুন