পোশাক কারখানার উৎপাদন কোনোভাবেই বন্ধ হবে না—এমন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
রোববার রাতে সচিবালয়ে জরুরি বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
ওই দিন সারাদিন ঢাকা ও গাজীপুরে মজুরি বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন পোশাক শ্রমিকরা। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সক্রিয় ছিল।
এই উত্তেজনার মধ্যেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন কাঠামো নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তবে আন্দোলন না থামায় সন্ধ্যায় সচিবালয়ে সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন সরকার প্রধান।
বৈঠক শেষে শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ডিসেম্বর সামনে রেখে তৈরি পোশাক খাত অস্থির করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে সরকার।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান সঠিকভাবে পরিচালনা এবং জনগণের জানমাল নিরাপদ রাখতে সবাইকে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে কোনো শ্রমিক সহিংস আন্দোলনে জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন।
মজুরি বোর্ডকে পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি শ্রম মন্ত্রণালয়কে শ্রমিকদের স্বার্থ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে শিল্প এলাকায় বাড়তি নজরদারি থাকবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।




মন্তব্য করুন