পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি মাত্র ১২ হাজার ৫০০ টাকা হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। এই টাকায় একজন শ্রমিক কীভাবে নিজের ও পরিবারের খরচ চালাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন করেন তিনি।
সোমবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সাদিক কায়েম শ্রমিকদের সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম প্রায় দুই গুণ বেশি ন্যূনতম মজুরি দিয়েও গার্মেন্টস রপ্তানিতে এগিয়ে রয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষিতে সরকারের ব্যর্থতার দায়ভার কেন শ্রমিকদের নিতে হবে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দেশে মাত্র ১২ হাজার ৫০০ টাকায় একজন শ্রমিক কীভাবে নিজের ও পরিবারের খরচ চালাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রাখেন ডাকসু ভিপি।
সাদিক কায়েম বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা পোশাকশিল্পের ভবিষ্যতের স্বার্থেই জরুরি। সরকার শুরু থেকেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচনার মাধ্যমে আগেই সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর শ্রমিকদের ওপর পুলিশি হামলা, মারধর ও নির্বিচারে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সরকারের এই ব্যর্থতাই পতিত আওয়ামী লীগকে আন্দোলনে সুযোগ নেওয়ার পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সাদিক কায়েম।
তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ এবং ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক ও মধ্যবিত্ত সবার জন্য ইনসাফের বাংলাদেশ। কোনো টালবাহানা না করে মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসে অতিদ্রুত সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণ করতে হবে।
নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে উসকানির অজুহাত দিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার উপেক্ষা করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। সাদিক কায়েমের ভাষ্য, শ্রমিক বাঁচলেই বাঁচবে দেশ।




মন্তব্য করুন