গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে এক মাদরাসা শিক্ষিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে তার সাবেক স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত আতাউর রহমানকে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী শারমিন সুলতানা (৩৭) উপজেলার জুনিদপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষিকা। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, দাম্পত্য কলহ ও নির্যাতনের জেরে দুই বছর আগে আতাউর রহমানের সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে শারমিন তার দুই সন্তানসহ বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। তবে বিচ্ছেদের পর থেকেই আতাউর তাকে উত্যক্ত ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত সোমবার (৫ জানুয়ারি)। দুপুরে মাদরাসায় গিয়ে শারমিনকে হেনস্তা করার পর বিকেলে নলডাঙ্গা এলাকায় তার ১১ বছর বয়সী ছেলেকে মারধর করেন আতাউর। সন্তানকে বাঁচাতে শারমিন এগিয়ে গেলে আতাউর ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো কাঁচি দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

সাদুল্লাপুর থানার উপ-পরিদর্শক সুজন সরকার জানান, ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে বিচারিক আদালতের সোপর্দ করা হয়েছে। বর্তমানে ওই শিক্ষিকা ও তার সন্তানরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

Facebook Comments Box