শরীয়তপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও শরীয়তপুর সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক জিএস মনিরুজ্জামান রুবেলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারী) বাদ জোহর জেলা শিল্পকলা একাডেমী মাঠে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
রুবেলের জানাজা নামাজে শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌরমেয়র আব্দুর রব মুন্সী, জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জল, জেলা বিএনপি নেতা মাহবুব তালুকদার, বাদল বেপারী, মান্নান মাদবর, আব্দুস সালাম শাহ সহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়।
গত সোমবার (১৪ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রীড়া বন্ধ হয়ে মনিরুজ্জামান রুবেল ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিহী….রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৪৮ বছর। ব্যক্তিগত জীবনে রুবেল ছিলেন অবিবাহিত। তারা ৫ ভাই ও ৩ বোন ছিলেন। ভাই-বোনের মধ্যে রুবেল ছিলেন ৫ম। রুবেলের বাবা হারুন অর রশিদ ছিলেন শরীয়তপুর জজকোর্টের একজন আইনজীবী সহকারী এবং বড় ভাই কামরুজ্জামান উজ্জল বর্তমান জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক। শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পিছনেই তাদের বাসভবন। এছাড়া রুবেল দীর্ঘদিন দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিলেন এবং সেখানকার নাগরিকত্ব লাভ করেন। রুবেল ছিলেন একজন সাদা মনের মানুষ। সবার সাথেই তিনি ছিলেন আন্তরিক এবং হাসিখুশি। তার অকাল মৃত্যুতে আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব ও শুভাকাঙ্খিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। সবাই তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন। দৈনিক রুদ্রবার্তার সম্পাদক শহীদুল ইসলাম পাইলট তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোকাহত সকলের প্রতি সহানুভূতি জ্ঞাপন করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের ছেড়ে গেলেন আমাদের প্রিয় রুবেল ভাই না ফেরার দেশে। ইন্না লিল্লাহী ও ইন্না ইলাহি রাজিউন। তার একটা স্বপ্ন ছিলো একটি ঔষধের দোকান করবেন এবং সুন্দর ব্যবসায়ী হবেন, কিছুদিন আগে আলাপকালে তিনি আমাকে এ কথা বলেছিলেন। আর কোনদিন বলবে না কিরে পাইলট কেমন আছোস? ভালো আছোস? তুইতো চা খাস না। রুদ্রবার্তা কার্যালয়টি তার বাসার নিকট হওয়ায় প্রতিদিন তার সাথে সকাল বিকাল দেখা হতো। আর দেখা হবে না রুবেল ভাইয়ের সাথে, চলে গেলেন না ফেরার দেশে। আল্লাহ পাক যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন, আমিন।
Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন