Tuesday 16th April 2024
Tuesday 16th April 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুরে সওজের বক্সকালভার্ট নির্মাণে অনিয়ম, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

শরীয়তপুরে সওজের বক্সকালভার্ট নির্মাণে অনিয়ম, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের গ্রাম চিকন্দী-গঙ্গানগর সড়কের সোবাহান মোল্যার বাড়ি সংলগ্ন সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) আওতাধীন প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে পুরনো বক্সকালভার্টের স্থানে নতুন একটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ কাজ চলছে। পুরনো বক্স কালভার্টের ব্যাচের সাথে নতুন ব্যাচ সংযোগ করা হয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার বিকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পুরনো একটি বক্স কালভার্টের ব্যাচের ওপর নতুন ব্যাচ সংযোগ করা হয়েছে। নির্মাণ শ্রমিকরা পুরনো কালভার্টের স্লাভের ওপর নতুন করে সি.সি ঢালাই দেওয়ার জন্য রড বাধাই করছে। শহীদুল ইসলাম নামে ঠিকাদারের একজন লোক কাজের তদারকী করছেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন জাড়ো হয়ে বক্স কালভার্ট নির্মাণ কাজে অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলতে থাকেন। এলাকাবাসীর দাবি, পুরনো ব্যাচের ওপর নতুন ব্যাচ সংযোগ করার কোন নিয়ম নাই। নিয়ম বহির্ভূতভাবে বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। পুরনো কালভার্টের স্লাভের ওপর নতুন বক্সকালভার্টের সি.সি ঢালাই দেওয়া হলে ঝুকির আশংকা রয়েছে। পুরনো কালভার্টটি অল্প টাকা ব্যায়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো। আর নতুন কালভার্টটি নির্মাণ ব্যায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা। ওই পুরনো কালভার্টের ব্যাচের ওপর নতুন ব্যাচ সংযোগ করা হলে তা ঝুকিপূর্ন হবে। স্থানীয় নয়ন খা, হায়দার বেপারী, ফিরোজ খান, সোবহান মোল্যা, সালেক খান, নুরুল ইসলাম মুন্সী, আরশেদ খান সহ এলাকার অনেকেরই বক্স কালভার্ট নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা কালভার্টটি সঠিকভাবে করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে কাজের তদারকিতে থাকা ঠিকাদারের লোক বলে পরিচয় দেওয়া শহীদুল ইসলামের কাছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাইলে তিনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম বলতে পারেন নি। শুধু গোপালগঞ্জের নাসিম ঠিকাদার বলে জানান। নাসিমের মোবাইল নম্বর চাইলে তার কাছে নম্বর নাই বলে জানান শহীদুল।
নির্মাণ কাজের প্রধান মিস্ত্রি কাইয়ুম শেখ বলেন, সওজের ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন পুরনো কালভার্টের স্লাভ সিসি হিসেবে থাকবে। তারা যেভাবে কাজ করতে বলেছে আমরা সেভাবেই কাজ করছি। পুরনো কালভার্টের কোন কিছু নতুন কালভার্টে ব্যবহার করার নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে মিস্ত্রি কোন সদুত্তোর দিতে পারেনি।
কাজের বিষয়ে জানার জন্য জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগে গিয়ে দায়িত্বশীল কোন প্রকৌশলীকে পাওয়া যায়নি। কাজের বিষয়ে অফিসের কেউ কিছু বলতে পারতেছে না। কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত এসও আসাদুজ্জামানের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। পরে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সেলিম আজাদ খানের কাছে এলাকাবাসীর অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। এখনও শরীয়তপুরের অনেক জায়গা আমার চেনাজানা নেই। যে বক্স কালভার্ট নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সেটা সড়ক বিভাগের কিনা সেটাও আমি নিশ্চিত না। যদি সড়ক বিভাগের কাজে কোন অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।