Sunday 26th May 2024
Sunday 26th May 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৮

শরীয়তপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৮

শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার ইউনিয়নের পশ্চিম কোয়ারপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৮জন আহত হয়েছেন। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রবিবার (১৬ জুন) পালং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- পশ্চিম কোয়ারপুর গ্রামের কাশেম মাদবর (৭০), তার স্ত্রী রাজিয়া বেগম (৫০), ছেলে ইয়াকুব মাদবর (২৯), মেয়ে রুজিনা (২৮), দবির মাদবর (৭০), দেলোয়ার মাদবর (৪০), সবুজ মাদবর (২৮), ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ডোমসার ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কোয়ারপুর গ্রামের নুর মোহাম্মদ কাজীর সঙ্গে কাশেম মাদবরের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। কোয়ারপুর মৌজার ১৯ শতাংশ জমি নিয়ে ওই বিরোধ চলছিল। জমি নিয়ে একাধিক মামলাও চলছে। সেই জমিতে গত বুধবার বিকেলে টিনের বেড়া দেন কাশেম মাদবররা। তখন নুর মোহাম্মদ ও কাশেমের সাথে বাকবিতন্ডা হয়। পরে নুর মোহাম্মদ কাজী ক্ষিপ্ত হয়ে তার সন্ত্রাসীদল নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ওইদিন রাতে কাশেম মাদবর, সামচেল মাদবর ও মজিবর মাদবরের বাড়িতে প্রথমে ককটেল ফাটায় ও পরে হামলা চালায়। তখন কাশেম, রাজিয়া, ইয়াকুব, রুজিনা, দবির, দেলোয়ার ও সবুজকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে । পরে লুটপাট ও ভাংচুর করে সন্ত্রাসীরা। খবর পেয়ে পালং মডেল থানার ওসিসহ পুলিশের একটি দল আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত কাশেম মাদবর ও দেলোয়ার মাদবরের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ঢাকা মেডিকেল হসপিটালে প্রেরণ করেন। তাদের অবস্থা আশংকাজনক।

কাশেম মাদবরের ভাতিজা খালেক মাদবর, আনোয়ার মাদবর বলেন, জমির বেড়া নিয়ে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে নুর মোহাম্মদ কাজির নের্তৃত্বে খলিল কাজি, মতি কাজি, এনামুল কাজি, সাহ কাজি, হালান কাজি, মালেক মাদবর, কুদ্দুস মাদবর, মতিন মাদবর, মফিজ মাদবরসহ দুই শতাধিক সন্ত্রাসী আমাদের ও চাচার বাড়িতে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা আমাদের পাঁচজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাছাড়া স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও আসবাবপত্র নিয়ে যায়। হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক।

এদিকে, নুর মোহাম্মদ কাজীর স্ত্রী রেনু বেগম (৫৫) বলেন, আমার স্বামীর সাথে কাশেম মাদবরের জমি নিয়ে বিরোধ আছে। সেই জমিতে টিনের বেড়া দিয়েছে কাশেমরা। সেই বেড়া ভেঙে দিয়েছি আমরা। কিন্তু আমাদের কেউ তাদের উপর হামলা করেনি।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। এ ঘটনায় আহত কাশেম মাদবরের ছেলে ইয়াকুব মাদবর বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।