সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা সফর, ১৪৪২ হিজরী
সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের একটি বেইলি সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার মহিষার ইউনিয়নের সাজনপুর এলাকার জাজিয়াহার খালের ওপর নির্মিত এ সেতুর পশ্চিম পাশের স্টিলের প্লেট ভেঙে পড়েছে।
এতে দুপুর থেকে সেতুটির দুই পাশে অন্তত দেড় শতাধিক গাড়ি আটকে আছে। দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। কাঁচামাল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গাড়ির চালকেরা।
শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথের (সওজ) সূত্র জানায়, শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কটি ৪০ কিলোমিটার। এই এলাকায় পাঁচটি বেইলি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ। তার একটি জাজিয়াহার এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে সেতুগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ১০ টনের অধিক ভারী যানবাহন সেতুতে না ওঠার জন্য সাইন বোর্ড ঝুলিয়েছে সড়ক বিভাগ। কিন্তু তা উপেক্ষা করে মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে পাথর ভর্তি (ঢাকা মেট্রো ট ২০-৬৯৮১) নামের ২৫ থেকে ৩০ টন ওজনের একটি ট্রাক সেতুটি পাড় হওয়ার সময় দুটি প্লেট বিধ্বস্ত হয়। তখন ট্রাকটি সেতুতে আটকে যায়। কিন্তু সংস্কার না হওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খুলনা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এ অংশটি দিয়ে প্রতিদিন দক্ষিণাঞ্চলের ২১ টি জেলার শতশত বাস, ট্রাক, কার্গো, পিকআপ চলাচল করে।
আটকে পড়া গাড়ি চালক মজিবুর রহমান, আনসার উদ্দিন জানান, পাথর ভর্তি ট্রাকটি ব্রিজটিতে ওঠার পরপরই বিকট শব্দ করে ব্রিজটির বেইলি সেতুটির প্লেটের নাট খুলে যায় এবং ট্রাকটির বাঁ পাশের চাকাগুলো দেবে যায়।
তাঁরা জানান, চট্টগ্রাম থেকে মালামাল নিয়ে খুলনায় যাচ্ছেন। সেতুটি ভেঙে পড়ায় আবার চট্টগ্রাম ফিরে যেতে হবে কিনা, সে চিন্তায় আছেন।
শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজেদুর রহমান বলেন, একটি ট্রাক প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাল বহন করে সেতুটির ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় সেতুটি ভেঙে যায়। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তিনি বলেন, যানবাহন চলাচলের বিকল্প সড়ক রয়েছে। অনেক ঘুরে যাতায়াত করতে হয়। সেতু থেকে ট্রাকটি সরাতে ও সেতুটি মেরামতের জন্য আমাদের লোক ওই স্থানে পৌঁচেছে। যত দ্রুত সম্ভব সেতুটি মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।