শুক্রবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২২ ইং, ২২শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
শুক্রবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২২ ইং

বগুড়ায় সাংবাদিক বেলাল অপহরনের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি করেছে বিএমএসএফ

বগুড়ায় সাংবাদিক বেলাল অপহরনের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি করেছে বিএমএসএফ

বাংলা নিউজের বগুড়ার স্টাফ রিপোর্টার নির্ভিক সাংবাদিক বেলাল হোসেনকে অপহরনের ৭ ঘন্টা পর সোমবার রাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে হাত পা বাঁধা আহত অবস্থায় উদ্বার করেছে পুলিশ।
এদিকে সাংবাদিক অপহরণ ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)। সোমবার রাত ১১টায় বিএমএসএফ’র পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর দোষিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি করেছেন।
সোমবার ২৫ জুন দুপুর ২টার পর বগুড়ার সাতমাথা এলাকা থেকে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বেলালকে অপহরণের পর দুর্বৃত্তরা ঢাকায় কর্মরত তার ব্যাংকার মামার কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। তবে বগুড়া সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি-১৬৯৫) করার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হলে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ চৌরাস্তায় বেলালকে ফেলে যায় অপহরণকারীরা।
মুক্তি পাওয়ার পর বেলাল গোবিন্দগঞ্জ থেকে বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। সেখান থেকে তারা শেরপুরের বাড়িতে ফিরছেন।
অপহরণের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাংবাদিক বেলাল জানান, দুপুরে সাতমাথায় একটি ব্যাংকের শাখায় ব্যক্তিগত কাজে গিয়েছিলেন তিনি। ওই ব্যাংকেরই ঢাকা শাখায় কাজ করেন তার মামা। সেখান থেকে মোবাইল ফোনে মামার সঙ্গে আলাপের পর বেরিয়ে যান বেলাল।
এরপর তিনি শহরের মহিলা কলেজ রোডের দিকে এগিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন। সামনে যেতেই দুই ব্যক্তি যাত্রীবেশে তার গাড়িতে ওঠেন। খানিকদূর যাওয়ার পর ওই দুই ব্যক্তি হঠাৎ তার চোখ বেঁধে একটি গাড়িতে তুলে নেয়।
বেলাল বলেন, আমার চোখ বাঁধার পর তারা আমার কম ব্যবহৃত সিম নিয়ে মামার নম্বরে কল দেয়। শুনতে পাই মামার কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এভাবে দুই বার মামাকে কল দেয়। আমাকে মারধর না করলেও গালাগাল করে। প্রথমে যে দু’জন ছিল, তাদের আমি চিনি না, পরে আর ক’জন ছিল, চোখ বাঁধার কারণে অনুমান করতে পারেননি বেলাল।


error: Content is protected !!