শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দিনব্যাপী সেমিনার ও চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইনস্টিটিউট ক্যাম্পাসে “এসেট” প্রকল্পের অর্থায়নে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরাসরি সিভি জমা দেওয়ার সুযোগ পেয়ে চাকরিপ্রার্থী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইমরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এসেট প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক মো. মঞ্জুরুল ইসলাম এবং নিউ মাল্টিপাস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শ্যামল ব্রক্ষ। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী অজিত বাছার।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজির বিভাগীয় প্রধান ও রেজিস্ট্রার মো. সোহানুর রহমান, একাডেমিক ইনচার্জ ও চিফ ইনস্ট্রাক্টর বাবুল কুমার ভট্টাচার্য্য, চিফ ইনস্ট্রাক্টর সঞ্জিত কুমার মিস্ত্রী, কম্পিউটার টেকনোলজির বিভাগীয় প্রধান এ এস এম আশরাফুল হক ও রেজাউল করিমসহ ইনস্টিটিউটের শিক্ষকবৃন্দ।
মেলায় দেশের খ্যাতনামা নয়টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ক্যানভাস কম্পিউটার, বিডিজবস ডটকম, ফ্রন্টডেক্স বাংলাদেশ লিমিটেড, বিডি কলিং, এটোভা টেকনোলজি, ফেবোটনিক্স, নিউ মাল্টিপাস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন, মাস্টার কিটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং ট্রাস্ট অটোমেশন টেকনোলজি উল্লেখযোগ্য। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি শিক্ষার্থীদের সিভি সংগ্রহ করে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দেয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. ইমরুল হাসান বলেন, এই চাকরি মেলা শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য সময়োপযোগী একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে তরুণরা কর্মমুখী হবে এবং আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।
আয়োজকরা জানান, হাতে–কলমে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ তৈরির লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সরাসরি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়ে এবং নিজের ক্যারিয়ার গঠনের সম্ভাবনা দেখে শিক্ষার্থীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মন্তব্য করুন