বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণের পর তাকে এই দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতা এর আগে ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপি ক্ষমতায় ফেরায় দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর অভিজ্ঞতার ওপরই আস্থা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল আলম পেয়েছিলেন ৭৬ হাজার ৬৮১ ভোট। চট্টগ্রাম বন্দর ও বাণিজ্যিক নগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা থাকবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

লন্ডন থেকে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিংয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) ও এলডিসি দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

অর্থনৈতিক ও পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পদে তার এই নিয়োগ পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।