শরীয়তপুর সদর উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নে ২০২৬ সালের প্রথম ধাপে টিআর, কাবিটা ও কাবিখা প্রকল্পের কাজে ইউপি চেয়ারম্যান ও কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, বরাদ্দকৃত অর্থের কাজ বাস্তবে না করে বা আংশিক কাজ দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চলছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কদম আলী বেপারীর বাড়ির পিছন থেকে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়ির অভিমুখে ইটের সলিং রাস্তা নির্মাণের জন্য ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত স্থানে কোনো কাজের চিহ্ন নেই। প্রকল্প এলাকায় কোনো সাইনবোর্ডও নেই। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাজ না করেই অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে।
মাহমুদপুর ৮নং ওয়ার্ডে আঃ হান্নান মুন্সির বাড়ির ঘাট থেকে ৭৯নং দক্ষিণ মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের জন্য বরাদ্দকৃত ২ লাখ টাকার মধ্যে মাত্র এক-তৃতীয়াংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয়রা ধারণা করছেন, অবশিষ্ট অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে ইউপি সদস্য আতাউর রহমান মুন্সির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া মাহমুদপুর সিপাহী পাড়া শরবত সিকদারের বাড়ির ঘাট থেকে মিজানুর রহমান খানের বাড়ির ঘাট পর্যন্ত কালভার্টমুখী রাস্তা উন্নয়ন কাজেও অনিয়ম এবং নিম্নমানের কাজের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে প্রকল্পের কোনো সাইনবোর্ড দেখা যায়নি।

মন্তব্য করুন