শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ ও নড়িয়া উপজেলায় পদ্মার ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। নদীগর্ভে যাচ্ছে কৃষিজমি, বসতভিটা ও স্থাপনা। ঝুঁকিতে রয়েছে বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাচিকাটা ইউনিয়ন এবং নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। কাচিকাটা বাজার, স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বহু বসতবাড়ি হুমকির মধ্যে রয়েছে। সুরেশ্বরের ঐতিহ্যবাহী মাছবাজারও ঝুঁকিতে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কাচিকাটা এলাকায় পদ্মার ভাঙনে প্রতিনিয়ত কৃষিজমি নদীতে চলে যাচ্ছে। নদী লোকালয়ের দিকে এগিয়ে আসায় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
সুরেশ্বর এলাকায় পদ্মার ডান তীররক্ষা বাঁধেও ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে বাঁধের ৫০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়। এর পাশের আরও ৩০০ মিটার এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ক্ষতি এড়াতে এরই মধ্যে অন্তত ২০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিল্টন হোসেন বলেন, নদীর পানি কমার সঙ্গে কিছু এলাকায় তলদেশের মাটি সরে যাচ্ছে। এতে তীররক্ষা বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে।
তিনি জানান, কাচিকাটা এলাকায় ৩০০ মিটার অংশে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। ভাঙন রোধে একটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন মিললে পরবর্তী কাজ শুরু করা হবে।

মন্তব্য করুন