শনিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২২ ইং, ৫ই ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২২শে মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
শনিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২২ ইং

জঙ্গী ও মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির

জঙ্গী ও মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের আনন্দ ভ্রমণ ও বার্ষিক সম্মেলনে বেকারত্ব দূরীকরণ, জঙ্গী ও মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার করলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির এম ডি বিএম ইউসুফ আলী।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের আনন্দ ভ্রমণ ও বার্ষিক সম্মেলন ২০১৯ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার কক্সবাজার হোটেল সি প্যালেস হল রুমে এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠানে

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব মোঃ শফিকুর রহমান পাটওয়ারী।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এবং বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও ইনস্যুরেন্স এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বিএম ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য (সাবেক অতিরিক্ত সচিব) গকুল চাঁদ দাস, বীমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. শেখ মহঃ রেজাউল ইসলাম, বীমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (যুগ্ম সচিব) খলিল আহমদ, বীমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক (উপ-সচিব) আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিএম শওকত আলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ শফিকুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, যেভাবে বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করছে, অন্যান্য কোম্পানীগুলোকেও আমি আহবান করছি আপনারাও এগিয়ে আসেন। তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো স্বচল হবে। আমি আশাবাদি আপনারা সবাই একসাথে কাজ করবেন। তাহলে আমরা একদিন আমাদের সেই উন্নত দেশে প্রতিষ্ঠিত হতে পারব। ১৯৪১ সালের যে উন্নত বাংলাদেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, আমরা অবশ্যই ঐ পর্যায় পৌঁছাতে পারবো। পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে যদি অন্যান্য কোম্পানীগুলো সেভাবে কাজ করে তাহলে আমাদের বেশি দেরি হবে না বাংলাদেশকে উন্নতির ঐ পর্যায়ে নিয়ে যেতে। উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।

সভাপতির বক্তব্যে বিএম ইউসুফ আলী বলেন, জনগণের টাকা জনগণকে ফিরিয়ে দিলে, বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করলে কোম্পানীর টাকা কমে না বরং বাড়ে। আমরা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে এ বীমা সেক্টরকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবো। বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী অগ্রগণ্য কর্মসূচি হিসেবে বীমা সেক্টরকে নিয়েছেন। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, যার নেতৃত্বে আমরা এ বাংলাদেশকে পেয়েছি তিনি একটাই চাকরি করেছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে, সেটা হলো বীমার চাকরি। সুতরাং আপনারা এগিয়ে যান পপুলার লাইফ ই এদেশের নেতৃত্ব দেবে। বেকার সমস্যার সমাধান করবে। জঙ্গী মুক্ত ও সমাজ মুক্ত সমাজ গঠন করবে। আপনারা মাদক বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য পর পর ১১ বার পুরস্কার পেয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে। আপনাদের শ্লোগান যেন একটাই হয় ‘মাদককে না বলুন’। আমরা একদিন সুখী সমৃদ্ধ ও উন্নয়ণশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। সোনার বাংলা গঠনে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী একদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বীমা ক্ষেত্রে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয় পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কর্মকর্তা ও সদস্যদের মাঝে। আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


error: Content is protected !!