শরীয়তপুর জেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র উদ্যোগে ১০ আগষ্ট শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ১৫ আগষ্ট ‘জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে শুক্রবার চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেন জেলার বিভিন্ন কিন্ডার গার্ডেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় বিশ জন ছাত্র-ছাত্রী। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম বাদশা মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর এলজিইডি’র সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী ফয়জুল হক এবং জেলার ছয় উপজেলার প্রকৌশলীগণ।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, এলজিইডি’র অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, প্রতিযোগীদের অভিভাবক ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন, শরীয়তপুর শিশু একাডেমির কর্মকর্তা শাহিন উদ্দিন ও শরীয়তপুর শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন, সোসিও ইকোনোমিষ্ট মীর রওনক উজ্জামান।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ‘ক’ শ্রেণী (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী), ‘খ’ শ্রেণী (ষষ্ঠ থেকে এসএসসি) ও ‘গ’ শ্রেণী (এইচএসসি থেকে তদুর্দ্ধ) তিন ভাগে ভাগ করা হয়। তিনটি প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর প্রতিযোগিতা হয়। ‘ক’ শ্রেণীর জন্য বিষয় ছিল ‘ছোটদের বঙ্গবন্ধু’; ‘খ’ শ্রেণীর জন্য বিষয় ছিল ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ এবং ‘গ’ শ্রেণীর জন্য বিষয় ছিল ‘১৫ আগষ্ট: বাংলাদেশের রক্তাক্ত বুক’। প্রতিযোগীতার সময় নির্ধারণ করা হয় এক ঘন্টা। প্রতিযোগী ছাত্র-ছাত্রীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের নিজ নিজ বিষয়ের উপর চিত্রাঙ্কন শেষ করেন।
চিত্রাঙ্কন শেষে প্রতিযোগীদের মধ্যে ফলাফল ঘোষনা করা হয়। এবং সকল প্রতিযোগীকে শান্তনা পুরস্কারসহ প্রতি শ্রেণী থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে তাদের ক্রেষ্ট পুরস্কার হাতে তুলে দেয়া হয়। এরপর প্রতি শ্রেণীর প্রথম স্থান অধিকারীকে ১৫ আগষ্ট বুধবার জাতীয় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের করার জন্য বাছাই করা হয়।
প্রতিযোগিতায় ‘ক’, ‘খ’ এবং ‘গ’ শ্রেণী থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন যথাক্রমে- আসিকুল করিম সাদিক, শাহ খালিদ রহিম ও মো: আরিফুল ইসলাম (তপু)।
Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন