সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং

শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সোহাগ পাহাড় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী

শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সোহাগ পাহাড় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শরীয়তপুর সদর উপজেলা থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান (সোহাগ পাহাড়) ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নিজেকে জাগান দিয়েছেন। এ উপলক্ষ্যে শরীয়তপুর (ডাক বাংলো) চৌরঙ্গী এলাকায় কিংডম টাওয়ারের নীচ তলায় একটা নির্বাচনী কার্যালয় খুলেছেন তিনি। উপজেলার সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীগণ সোহাগ পাহাড়ের নির্বাচনী কার্যালয়ে গিয়ে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সংক্রান্তে আলাপ আলোচনা করেন। তারুণ্যের প্রতিভা বিকাশ ও সমৃদ্ধশালী শরীয়তপুর গঠনে সোহাগ পাহাড়ের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতেই এ নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করতে আশাবদী।
মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ পাহাড় শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বালুচড়া গ্রামের স্বনামধন্য, সুশিক্ষিত ও সমৃদ্ধশালী পাহাড় পড়িবারের উদীয়মান সূর্য্য। তিনি হাবিবুর রহমান পাহাড়ের ২ সন্তানের মধ্যে ছোট। সোহাগের পিতা হাবিবুর রহমান পাহাড় শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একজন চাকরিজীবী, মা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানুষ গড়ার কারিগর, বোন সিভিল সার্জন অফিসে পরিসংখ্যানবীদ। সোহাগ পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস শেষে শরীয়তপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে। পরবর্তীতে সোহাগ ইউনাইটেড কিংডম (ইউকে, লন্ডন) থেকে বিবিএ ডিগ্রী লাভ করেন। সর্বশেষ জেড এইচ সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন তিনি।
ছাত্রলীগ রাজনীতিতে সোহাগ পাহাড় একজন সংগঠক ছিলেন। তিনি ২০০৫-২০০৬ সেশনে শরীয়তপুর সরকারি কলেজ থেকে ভিপি পদে প্রার্থী হন। রাজনৈতিক কারনে কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ২০০৪ সালে গঠিত শরীয়তপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটির সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন সোহাগ পাহাড়। আলমগীর হোসেন হাওলাদার সভাপতি ও সিদ্দিকুর রহমান পাহাড়কে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা ছাত্রলীগের যে কমিটি গঠিত হয় সেই কমিটির সদস্য ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ পাহাড়। বর্তমানে সোহাগ পাহাড় জেলা যুবলীগের রাজনীতির সাথে জাড়িত আছেন।
মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ পাহাড় বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তরুণ প্রজন্মের মাধ্যমে একটা সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে চায়। সে লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে একটি মন্ত্রী সভা গড়তে সক্ষম হয়েছে প্রধানমন্ত্রী। জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি শেখ হাসিনার আস্থাভাজন কর্মী। আমি জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর হাতকে শক্তিশালী করতে চাই। ইকবাল হোসেন অপুর হাতকে শক্তিশালী করতেই এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে শরীয়তপুর সদর উপজেলাকে আধুনিক, ডিজিটাল ও সমৃদ্ধিশালী হিসেবে গড়তে চাই। শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে অংশগ্রহণ করতে চাই। অপু ভাইর নির্দেশে জনগণকে সাথে নিয়ে সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও বাল্যবিবাহ নির্মূল করব। আমি জনগণের ভালোবাসা ও দোয়া প্রার্থনা করছি।


error: Content is protected !!