শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতু এক্সপ্রেসওয়েতে একটি ট্রাকের পেছনে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কা লেগেছে। এ ঘটনায় পলাশ খান (৩৫) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তিনি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মরদেহের স্বজন এবং বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ভাইজোড়া গ্রামের জামাল খানের ছেলে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে পদ্মা সেতুর দক্ষিণ টোল প্লাজা থেকে প্রায় ৩০০ মিটার সামনে ভাঙ্গাগামী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আহত পলাশ খানকে মাদারীপুরের শিবচরের পাচ্চর লাইফ কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়; বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে বাগেরহাটের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটির সঙ্গে একটি অজ্ঞাতনামা ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। অ্যাম্বুলেন্সটিতে ইব্রাহিম খান (৬৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ ছিল। তিনি একই উপজেলার ভাইজোড়া গ্রামের মৃত ধালু খানের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা মেহেদী হাসান জানান, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি অ্যাম্বুলেন্সটিকে ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। চালকের ঘুমের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন; তবে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের মরদেহ সংরক্ষণের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অংশ থেকে রক্তমিশ্রিত পানি গড়িয়ে পড়তে দেখেছেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম। তারা সেখানে গিয়ে কাউকে পাননি। এর আগেই গাড়িটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এ কারণে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।’

মন্তব্য করুন