নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের ওপর মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে পালিয়ে গেছেন ২২ মামলার আসামি আনোয়ার হোসেন মাসুদ ওরফে পিচ্ছি মাসুদ। এ সময় আহত হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মদিনা বাজার এলাকার তবারক আলী ভূঁইয়া বাড়িতে।
আহতরা হলেন কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই সুমন চন্দ্র দাস ও এএসআই মো. সুলতান আহম্মদ। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৭ থেকে ৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩৩ বছর বয়সী পিচ্ছি মাসুদকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করতে যায় পুলিশ। তিনি ওই এলাকার মো. আবুল কাশেম ওরফে আবুল খায়েরের ছেলে। এ সময় তার বাড়ির লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে মরিচের গুঁড়া ছুড়ে মারেন। এতে মাসুদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরে পুলিশ আত্মরক্ষায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে পিচ্ছি মাসুদের ব্যবহৃত একটি খেলনা পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পিচ্ছি মাসুদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, খুন, মাদক ও পুলিশের ওপর হামলাসহ ২২টি মামলা রয়েছে। পুলিশের কাজে বাধা, হামলা এবং মরিচের গুঁড়া ছুড়ে আসামিকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে নতুন মামলাটি করা হয়েছে।
পিচ্ছি মাসুদ নিষিদ্ধ সংগঠন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলে জানা গেছে। এর আগে ২০২১ সালের ১৩ মে বিকালে তার ও কেচ্ছা রাসেলের নেতৃত্বে মেয়র কাদের মির্জার প্রতিপক্ষের কয়েকজন নেতার ওপর অস্ত্র হাতে গুলি চালানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল।




মন্তব্য করুন