আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২১কে ঘিরে চলছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী আসমা আকতার ভোটারের বাড়ী বাড়ী হেটে চলছেন। নানা কৌশলে ভোটারের মনের ভিতর জায়গা করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সকাল, দুপুর, গভীর রাত পর্যন্ত জনসংযোগে ব্যয় করে যাচ্ছেন।
ভোট চাওয়ায় বসে নাই প্রার্থী সমর্থক আত্মীয়-স্বজনরা। দেশের বাইরে থেকেও আসমা আকতারের সমর্থনে ভোট প্রার্থনা করছেন। নাওয়া খাওয়া ঘুম সব কিছু পিছন ফেলে চেয়ারম্যান প্রার্থী আসমা আকতার মরিয়া হয়ে পড়েছেন।
নৌকা প্রার্থী হয়েও অন্যান্য প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনের আচরণ বিধি কঠোরতা থাকায় প্রার্থী আসমা আকতার আইন শৃংখলা মেনে স্বাভাবিক ভাবে তার প্রচিরণা চালাচ্ছেন। শোডাউন, মহড়া, মাইকিং, জনসভা প্রকাশ্যে করতে না পারায় প্রার্থীরা নিজস্ব যোগ্যতা ভোটারের কাছে কাছে তুলে ধরতে সুবিধা হচ্ছে।
এর ফলে ভোটারদের পক্ষে প্রার্থীদের বিভিন্ন যোগ্যতার মাপ কাঠির মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়েছে। দলীয় প্রভাব কিছুটা কাজে লাগলেও ব্যক্তি নিজ যোগ্যতা বিশেষভাবে মূল্য হয়ে পড়েছে। তবে দর্লীয় প্রার্থী একক থাকলে কিছুটা সুবিধা হলেও অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিপর্যয় হওয়ার আশংকা থাকে। ইউনিয়ন নির্বাচনে এলাকা ও ব্যক্তি ইমেজের বিশেষ গুরুত্বের কারনে বিজয়ের পথ সহজ হবে।
নির্বাচনী প্রচারণা সম্পর্কে নৌকা প্রার্থী হিসেবে আসমা আকতার বলেন, আমি একজন আওয়ামীলীগের কর্মী এবং বর্তমানে জেলা আওয়ামী মহিলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদিকা এবং জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলাম। আমি একজন আওয়ামীলীগের কর্মী হিসেবে আমার ইউনিয়ন আংগারিয়া থেকে নৌকা মার্কা থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে আবেদন করেছি।
শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ও জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ আমার যোগ্যতা এবং দক্ষতা যাচাইবাছাই করে আমাকে নৌকা মার্কা দিয়ে আংগারিয়া ইউনিয়নের খেদমত করতে পাঠিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি নৌকা মার্কা নিয়ে যদি নির্বাচিত হই, তাহলে আংগারিয়া ইউনিয়নের অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করা সহ আংগারিয়া সকল ইউনিয়ন থেকে আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।
এ নির্বাচনী প্রচারণায় আংগারিয়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ অন্যান্য সাধারণ ভোটাররাও অংশ নিচ্ছেন।

মন্তব্য করুন