শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার, সদর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাগদী গ্রামে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় ৩ সন্তানের জনক বখাটে ফারুক বেপারীর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানাযায়, ভুক্তোভোগীর বাবা অন্যে জেলা থেকে এসে কাগদী গ্রামের স্থানীয় মৃত ফয়েেজ সরদারের প্রজেক্টে ৪/৫ বছর ধরে কাজ করেন এবং ঐ প্রজেক্টের মধ্যেই খুপরি ঘর বানিয়ে ৫ সন্তানসহ বসবাস করেন। এরই সুযোগ নিয়ে স্থানীয় তিন সন্তানের জনক ফারুক বেপারী রোববার বিকেল ছাত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টা করে।
ভুক্তভোগী ছাত্রী জানায় আগে থেকেই ফারুক বেপারী তাকে বিভিন্ন সময় উত্যাক্ত করতো এবং ২১ জানুয়ারি রোববার বিকেল ৪টার দিকে তার বাবা, মা দুজনেই প্রজেক্টের মাঠে কাজে গেলে এই ফাঁকে বখাটে ফারুক বেপারী, তাদের ঘরে ঢুকে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দেয় ও ধর্ষনের চেষ্টা করে, এসময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে পালিয়ে যায় ফারুক বেপারী।
ভুক্তভোগী মেয়েটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
ধর্ষণ চেষ্টাকারী ফারুক বেপারী স্থানীয় প্রভাবশালীদের মেয়ের জামাই হওয়ার কারনে ঘটনাটির শালিস মিমাংসার নামে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানায় স্থানীয়া, তারা আরও জানায় এঘটনার কিছুদিন আগে ফারুক বেপারী তার আপন চাচা খালেক বেপারী স্ত্রীকে ব্যাপক মারধর করে এবং পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করে, সে ঘটনাটিও স্থানীয়ভাবে শালিসি করে ধামাচাপা দেয়া হয়েছে।
ফারুক বেপারী সদর পৌরসভার ৬,নং ওয়ার্ডের হজ্জু বেপারীর ছেলে ও একই ওয়ার্ডের স্থানীয় প্রভাবশালী তাহের আলী মৃধার মেয়ের জামাই।
ভুক্তভোগীর মা জানান আমরা মামলা করতে পারিনি, স্থানীয়রা কাউন্সিলর সুস্থ হলে শালিস করে দেয়ার কথা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর বাবা আলি মিয়া এঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
এঘটনায় প্রজেক্ট মালিক মৃত ফয়েজ সরদারের মেয়ের জামাই সোহেল আহমেদ মুঠোফোনে বলেন, ঘটনাটি আমি জেনেছি তাই আমি ঢাকা থেকে সন্ধায় এসে পড়তেছি, এসে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় শালিসির মাধ্যমে মিমাংসার ব্যবস্থা করা হবে।
ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনাটি, পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মেজবাউল হক শ্লীলতাহানী আখ্যা দিয়ে বলেন, ঘটনাটি আমি কাল রাতেই জেনেছি, আমাদের ফোর্স পাঠিয়েছিলাম এবং ভুক্তভোগীদের অভিযোগ করতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন