শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ২৩নং চর মালগাঁও তালুকেরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক নিয়মিত ছাত্রীর নাম হাজিরা খাতা থেকে কেটে দিয়ে বিপাকে পড়েছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ. মতিন। বিদ্যালয়ের নেতৃত্ব পরিবর্তন ও নিজের অপকর্ম ঢাকতেই তিনি এই অপকৌশলের আশ্রয় গ্রহন করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ইতোপূর্বে তিনি সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে বিদ্যালয় ভবন ক্ষুদ্র মেরামতের বরাদ্দকৃত টাকাও আত্মসাৎ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি), উপজেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা পরিষদের নেতৃবৃন্দের চাপে আত্মসাতের আংশিক টাকা ইতোমধ্যে তিনি ফেরতও দিয়েছেন। এছাড়াও আরো ডজনখানেক অপকর্মের ফিরিস্তি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছুড়ে দিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রধান শিক্ষক আ. মতিন দীর্ঘ ২ যুগ ধরে এই বিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন। কর্ম জীবনের বিদায় বেলায়ও তিনি ওই বিদ্যালয় থেকে অবসর নিবেন। তবে শেষ সময়ে তিনি ছাত্রীর নাম কেঁটে দিয়ে নতুন অপকর্ম করে পিছনে ফেলে আসা সকল অপকর্ম জাগিয়ে তুলেছেন।

এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আ. মতিন বলেন, আমি বিগত দিনে বিদ্যালয় ভবন ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য ২ লক্ষ টাকা পেয়েছি। এই বিষয়ে স্থানীয় ভাবে ঝামেলা হয়েছিল। পরবর্তীতে ৪০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে তা সমাধান করেছি। এখন সামনে এসএমসি’র নির্বাচন। তামিম নামে একটা ছেলেকে ভর্তি করে তার পিতাকে নির্বাচনের সুযোগ করে দেই। এই জন্য মৌসুমী নামের দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর নাম কাঁটতে হয়। পরবর্তীতে ওই ছাত্রীর নামও শেষের দিকে রাখা হয়েছে।

ডামুড্যা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বলেছেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

Facebook Comments Box