বৃহস্পতিবার, ১১ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ১১ই আগস্ট, ২০২২ ইং

জাজিরা দ্যা নেক্সট রেভুলেশন কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

জাজিরা দ্যা নেক্সট রেভুলেশন কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে তারুণ্য নির্ভর সংগঠন দ্যা নেক্সট রেভুলশন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেন। ২৩ জুন, রবিবার সকালে সরকারি জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় আক্কেল মাহমুদ মুন্সি কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঢালি কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালেয়ের প্রধান শিক্ষক এ.টি.এম মতিউর রহমান, সরকারি জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মতিউল ইসলাম সেলিম, সিনিয়র শিক্ষক শেখর প্রসাদ ভৌমিক এবং সি.এম মহিউদ্দিন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দ্যা নেক্সট রেভুলেশনের সদস্য মোস্তাকিম রহমান হৃদয়, শাহেদ করিম খান, মৃধা মোঃ রিফাত ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম সৈকত, আল-শাহরিয়ার, রাফসান শুভ, রেদোয়ান শিখন, আল-আমিন, নুসরাত জাহান লামিয়া, সুমাইয়া জাহান চৈতি, নাওমী, অর্নিসহ সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ।
এ.টি.এম মতিউর রহমান বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এই বাংলাদেশকে চির সবুজ করার লক্ষ্যে গাছ লাগানো ছাড়া কোন বিকল্প নেই। আমরা সবাই গাছ লাগাবো এবং বৃক্ষরোপণ করার জন্য সকলকে উৎসাহিত করবো।
শেখর প্রসাদ ভৌমিক বলেন, সবুজে ভরে উঠুক প্রিয় মাতৃভূমি। সমাজের জন্য, দেশের জন্য, সেবামূলক কাজ করার জন্য যৌবন-কালই সবচেয়ে উত্তম সময়। তাই তারুণ্যেই আমাদের সেবামূলক কাজে উদ্দ্যোগী হতে হবে। সকলেরই মনে রাখতে হবে যে, পরার্থে আত্মোৎসর্গই মানব জীবনের সার্থকতা। সকলের প্রতি আহবান করেন যেন, দেশকে ভালোবেসে দেশের জন্য কাজ করে। তিনি আরো বলেন, তারুণ্যের হাতকে শক্তিশালি করতে হবে। তাহলে বেঁচে থাকবে এই দেশ।
দ্যা নেক্সট রেভুলেশন এর সদস্য মোস্তাকিম রহমান হৃদয় বলেন, বৃক্ষ মানুষের পরম উপকারী বন্ধু। এর নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে মানুষ আপ্লুত হয়। জীবন রক্ষাকারী বৃক্ষের এই প্রয়োজনীয়তার কথা ভুলে গিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা বনভূমিকে উজাড় করে দেশকে যে মরুকরণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তা কঠোরভাবে দমন করে সবুজে সবুজে দেশকে ছেয়ে দিতে হবে। এ কাজে সরকারের পাশাপাশি জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। গাছ লাগানোর জন্য জনমনে সচেতনতার সঞ্চার করতে হবে। বাংলাদেশের বন বিভাগের গুরুদায়িত্ব হবে বৃক্ষের চারা উৎপাদন করে তা বিনা মূল্যে জনগণের মধ্যে সরবরাহ করা। এ অভিযান যদি সার্থক হয়, তাহলে মানুষের অস্তিত্ব রক্ষা পাবে বিপন্নতার হাত থেকে।
এ সময় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন জায়গায় দেড় শতাধিক গাছ লাগানো হয়। বইয়ের মতো বৃক্ষকেও বন্ধু ভাবা সকলের জন্য অত্যন্ত জরুরি।


error: Content is protected !!