১৬ মার্চ সোমবার শরীয়াতপুর জেলা কারাগারে ঘটলো এক বিরল ঘটনা, মেয়ে কথা বলতে পারেনা কিন্ত তার বাবাকে দেখার পর কান্নায় ভেংগে পড়েন এবং কথা বলা শুরু করেন সেফ হোমে যেতে অপেক্ষায় থাকা লামিয়া। ঘটনাটি গত ১৪ মার্চের শৌলপাড়া থেকে একজন চৌকিদার ফোন করেন পালং মডেল থানায় যে এখানে একটি ছোট বুদ্বিপ্রতিবন্ধি মেয়ে পাওয়া গেছে। তখন এস আই সামাদ গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং থানা কর্তৃপক্ষ বিভিন্নভাবে মেয়েটির পরিচয় উৎঘাটন করতে চেষ্টা করেন। কিন্ত তারা তার পরিচয় না পেয়ে ফোন দেন জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের প্রবেশন কর্মকর্তা তাপস বিশ্বাসকে। তাপস বিশ্বাস মেয়েটির সাথে কথা বলতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। তারপর তিনি ফেসবুকে প্রবেশন কেয়ার গ্রুপে মেয়েটির ছবি আপলোড দেন ও মেয়েটির সবকিছু বর্ণনা করেন। সেখানে মিরপুরের প্রবেশন কর্মকর্তা নাদিরা লুৎফা জানান মেয়েটি মিরপুর প্রতিবন্ধী স্কুলের ছাত্রী ছিলেন তার বাড়ি জাজিরা। তারপর পনের তারিখে সদর থানার সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সচিবদের জানান এবং খোজ নিতে বলেন যে কোন মেয়ে হারিয়ে গেছে কিনা। এবং জাজিরার উপজেলা চেয়ারম্যানকে সকল ইউনিয়নের জন প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। তারপর জাজিরা থেকে তাপস বিশ্বাসকে মেয়েটির মামার নাম্বার দেওয়া হয়। মেয়েটির মামার সাথে যোগাযোগ করে সকল ডকুমেন্ট নিয়ে আদালতে আসতে বলেন, কারন অলরেডি আদালত থেকে মেয়েটিকে সেভ হোমে পাঠানোর আদেশ হয়ে গেছে। তারপর আদালতের মাধ্যমে মেয়েটিকে প্রবেশন কর্মকর্তা তার বাবার কাছে তুলে দেয়। জানা যায়, মেয়েটির পরিবারে ৫ জন প্রতিবন্ধী। তারা অনেক অসহায়।
Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন