তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম সমন্বয় ও সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরানোসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। এসব দাবি পূরণ না হলে আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৬-১৭ অক্টোবর) টানা দুই দিন সারা দেশে এলপিজির সব দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি সেলিম খান এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা জানান, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, লাইসেন্স ফি, সিলিন্ডার লোড-আনলোডের ব্যয় এবং সিলিন্ডারজনিত লোকসানসহ বিভিন্ন খাতে খরচ বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের কমিশন ৭ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানান তারা।
তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে—দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সরবরাহে ব্যর্থ কোম্পানিগুলোর সিলিন্ডার সরকারি বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় রিফিল করা এবং কোম্পানির চালানে এলপিজির প্রকৃত মূল্য উল্লেখ করা।
এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কাছে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া না হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে পরিবহন বা গাড়ি ভাড়ার খরচ বহন করার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
ব্যবসায়ীরা আরও দাবি করেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও রেলিং-সংক্রান্ত ইস্যুতে মামলা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষের ‘অযৌক্তিক জরিমানা’ বন্ধের আহ্বান জানান তারা।
এর আগে গত ৪ অক্টোবর এলপিজির দাম বাড়ানো হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে। একই সঙ্গে অন্যান্য ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বাড়ানো হয়।

মন্তব্য করুন