আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মোল্লা কান্দি গ্রামে একটি নিরীহ পরিবার, খবির মোল্লা(৭০) বৃধাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাক্ত জখম করেন। এমনকি হামলায় বাধা দিলে খবির মোল্লার পরিবারে উপর উপর,প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী সোবহান মোল্লা নেতৃত্ব হামলা চালানো হয়, এ সময় হামলা কারিরা খবির মোল্লার বসত বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। এ সময় জুয়েল মোল্লার স্ত্রী-সাথী আক্তারের গলায় থাকা স্বর্নের চেইন ও হাতে থাকা এন্ডুুয়েড একটি মোবাইল ছিন্তাই করে সন্ত্রাসী সোবহান বাহীনী।

এ সময় সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় খবির মোল্লা সহ গুরুতরো আহত হন, হুমায়ন মোল্লা, আতিক মোল্লা, তোফাজ্জেল মোল্লা, জুলহাস মোল্লা সহ খবির মোল্লার বড়ো মেয়ে রাজিয়া আক্তার। তাদের মধ্যে ৩ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে ওই এলাকার সোবহান মোল্লার বসত বাড়িতে জোরপূর্ব পরিকপ্লিত ভাবে পাতানো দরবার সাজিয়ে, দরবার কমিটির সভাপতি ক্ষুদ্র মুদি দোকানদার তোতা মোল্লা, পালেরচর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার আলঙ্গীর মোল্লা সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তির উপস্থিতিতে এই নেককার জনক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকাবাসী আহতদের জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে বাকি তিনজনকে হুমায়ন মোল্লা, আতিক মোল্লা, তোফাজ্জেল মোল্লার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

জাজিরা উপজেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার জানান, আহতদের শরীরে অসংখ্য জখম রয়েছে। ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে দু-গ্রুপের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, উভায় গ্রুপে মামলা হয়েছে, আমার পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

Facebook Comments Box