সরকারে চলতি মেয়াদেই শরীয়তপুর-চাদপুর পয়েন্টে মেঘনা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি। তিনি বলেন, পদ্মাসেতুর কার্যক্রম শুরুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেঘনা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করবেন। গতকাল শুক্রবার ‌’শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতি, ঢাকার দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এই কথা বলেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় একটি রেস্তোরায় ওই অনুষ্ঠান হয়।
উপমন্ত্রী বলেন, শরীয়তপুর-চাদপুর পয়েন্টে মেঘনা সেতু হলে শুধু ওই দুটি জেলাই নয়; দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বিপ্লব ঘটবে। এজন্যই বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই পয়েন্টে সেতু নির্মানের পরিকল্পনা করছেন।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবাষির্কীতে মুজিববর্ষের ক্ষণ গননা শুরু হয়েছে। যারা মুজিববর্ষ পালন করছে না, যারা জাতির পিতাকে অস্বীকার করতে চায়, তারা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় প্র্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, ১০ জানুয়ারী জাতির জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন প্রকৃত বিজয়ের দিন। মূলত বঙ্গবন্ধুর দেশে ফিরে আসার দিনটিতে স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়।
তিনি বলেন, দেশে ৩৫ টি টিভি চ্যানেল, তিন হাজার পত্রিকা আর অসংখ্য অনলাইন গণমাধ্যম রয়েছে। গণমাধ্যমের বিকাশ ঘটলেও এই সেক্টরে অর্থনৈতিক বিকাশ ঘটে নি।
শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতি, ঢাকার সভাপতি রাজু আলীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আনিছুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব আখতার হোসেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্সের কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম ইউসুফ আলী। সংগঠনের বিদায়ী কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান আজমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক কেএম আজিজুর রহমান, সাবেক সভাপতি ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, সংগঠনের বিদায়ী কমিটির নির্বাহী সদস্য মোজাম্মেল হক চঞ্চল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান প্রমুখ। এতে ঢাকায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত শরীয়তপুরে সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।