‘গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া, যেখানে জনগণের সচেতনতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে যেন কোনো বিভ্রান্তি না থাকে, সেজন্যই এই বিস্তৃত সচেতনতামূলক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রতিটি ভোটার যাতে গণভোটের বিষয়বস্তু, গুরুত্ব ও ভোট প্রদান প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন এবং একইসাথে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটের বিষয়ে পৌরসভা বাসীর মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে মাসব্যাপী বিশেষ প্রচারণামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ পৌরসভা।

স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুসরণ করে ভেদরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক কে.এম. রাফসান রাব্বি’র প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ, ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন, মাইকিং এবং ভিডিওচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটারদের গণভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, ভেদরগঞ্জ পৌরসভার শরীয়তপুর- চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসহ পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে বিশাল বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পৌরসভা কার্যালয়, বাজার, বাসস্ট্যান্ড, উপজেলা পরিষদ সহ পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে ব্যানার ঝোলানো হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১ হাজার লিফলেট ছাপিয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অন্তত ১৮ বিলবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক কে.এম. রাফসান রাব্বি বলেন, ‘নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া, যেখানে জনগণের সচেতনতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে যেন কোনো বিভ্রান্তি না থাকে, সেজন্যই কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশনায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো সচেতনতামূলক উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রতিটি ভোটার যাতে গণভোটের বিষয়বস্তু, গুরুত্ব ও ভোট প্রদান প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরো জানান, মাসব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিয়মিত মাইকিং, ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে ভিডিওচিত্র প্রদর্শনসহ নানামুখী প্রচারণা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।