২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে একটি করে ল্যাপটপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের কার্যবিবরণী সূত্রে শিক্ষা খাতে একাধিক সিদ্ধান্ত ও সুপারিশের কথা জানা গেছে।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ধরা হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রায় ৭০ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর বকেয়া পাওনা ইএফটি ও iBas++ পদ্ধতিতে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। গণিত ও বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মূল্যায়ন চালুর সুপারিশও করা হয়েছে।

সংসদীয় কমিটি শিক্ষার মান পরিমাপে আন্তর্জাতিক সূচক ও মূল্যায়ন পদ্ধতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কারিগরি শিক্ষার বিস্তারসহ সাত দফা সুপারিশ করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া জানান, শুধু পাসের হার বৃদ্ধি শিক্ষার প্রকৃত মাপকাঠি হতে পারে না। শিখনফল মূল্যায়নে প্রতি তিন বা ছয় মাস অন্তর মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।