কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার তালতলা বেতমোর ইউনিয়নে দাদার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।

বুধবার আশুলিয়ার নিরিবিলি এলাকায় বাইতুর রব জামে মসজিদের পাশে মুক্তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর মরদেহ পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক সিদ্ধান্ত ও তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী দাদার কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজার থেকে মুক্তার মরদেহ আশুলিয়ায় পৌঁছায়। তাঁর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজনদের মধ্যে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা।

এদিকে মুক্তার মৃত্যুর ঘটনায় তল্লাশি কার্যক্রম নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে বারবার জানানোর পরও যথাযথভাবে তল্লাশি চালানো হয়নি। শুরু থেকেই কার্যকরভাবে অনুসন্ধান করা হলে হয়তো মুক্তার মরদেহ আরও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হতো বলে মনে করেন তাঁরা।

ঘটনার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এবং মামলায় অন্তর্ভুক্ত ধারাগুলো নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।