শনিবার, ৩০শে মে, ২০২০ ইং, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
শনিবার, ৩০শে মে, ২০২০ ইং

জাজিরায় কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পৌরমেয়রের ছেলে আটক

জাজিরায় কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পৌরমেয়রের ছেলে আটক
জাজিরায় কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পৌরমেয়রের ছেলে আটক

এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার মেয়র ইউনুস বেপারীর ছেলে মাসুদ বেপারীকে (২৭) আটক করেছে পুুলিশ। শনিবার (২৯ জুন) দিনগত রাত আড়াইটার সময় জাজিরা পৌরসভা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মাসুদকে আটক করে জাজিরা থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সুত্রে জানা গেছে, জাজিরা উপজেলার বাসিন্দা ও স্থানীয় কলেজ ছাত্রী জাজিরা উপজেলা সদরের একটি ক্লিনিকে খন্ডকালিন কাজ করতেন। শ^শুর বাড়ির আত্মীয়তার সুত্রে ওই ছাত্রীর সাথে দীর্ঘদিন মাসুদের যোগাযোগ ছিলো। শনিবার (২৯ জুন) বিকাল ৫টার সময় ওই ছাত্রী ক্লিনিকের ডিউটি শেষ করে ক্লিনিক থেকে চলে যান। এরপর রাতে মাসুদ ওই ছাত্রীকে তাদের উপজেলা শহরের কাছে নির্মানাধীন বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এতে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে গোপনে তাকে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। প্রতিবেশীরা এ ঘটনা টের পেয়ে কানাঘুষা করতে থাকে। এক সময় ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। জাজিরা থানা পুলিশের কাছে পৌর মেয়রের ছেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে ধর্ষণের খবর আসতে থাকে। তখন পুলিশ রাত আড়াইটার দিকে মাসুদকে তাদের বাড়ি থেকে আটক করে।

এরপর থেকে পুলিশ ভিকটিমকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলনা। দিনভর নাকীয়তার পর রোববার (৩০ জুন) দুপুরে ভিকটিম জাজিরা থানায় এসে উপস্থিত হয় এবং অবশেষে মাসুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

এর আগে মাসুদের পরিবার ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভিকটিম ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি ও গোপনে সমঝোতার আপ্রাণ চেষ্টা চালায় বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলায়েত হোসেন বলেন, এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা ছড়িয়ে জানাজানি হলে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আমার কাছে ফোন আসতে থাকে। পরে রাত আড়াইটার দিকে মাসুদকে বাড়ি থেকে আটক করি। কিন্তু ভিকটিমকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আজ (৩০ জুন) দুপুরের দিকে ভিকটিম থানা এসে হাজির হয় এবং মাসুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত মাসুদকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানোর কার্যক্রম চলছে।