দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি একটি বিদেশি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে ধাপে ধাপে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই পরিকল্পনার কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার এবং উচ্চশিক্ষার বর্তমান বৈশ্বিক চাহিদা বিবেচনা করে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী আরবি, চীনা, জাপানি বা ফরাসি ভাষাগুলোকে পর্যায়ক্রমে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ববি হাজ্জাজ তার বক্তব্যে ভাষা শিক্ষার মান বিশ্বমানে উন্নীত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, সবার আগে মাতৃভাষা বাংলার সঠিক চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে তিনি ইতিহাস ও সংস্কৃতি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ধর্ম নিয়ে কুরাজনীতি পরিহার করে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

দীর্ঘ দুই দশক পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশ বর্তমানে গণতন্ত্রের নতুন এক পদযাত্রায় রয়েছে। এই সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদগণ উপস্থিত ছিলেন।