• ব্রেকিং নিউজ

    শরীয়তপুরে মৌ খামার পরিভ্রমন ও কৃষক সমাবেশ

    রুদ্রবার্তা প্রতিবেদক

    প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি ২০১৯ সময়: ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ 110 বার

    শরীয়তপুরে মৌ খামার পরিভ্রমন ও কৃষক সমাবেশ

    মাঠ পর্যায়ে মধু উৎপাদন, সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণ সরেজমিনে পরিদর্শনের লক্ষ্যে শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুরে মৌ খামার পরিভ্রমন ও কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার (৩০ জানুয়ারী) বেলা ১১ টায় বিনোদপুর ইউনিয়নের কাজী কান্দি গ্রামে জাহিদ হাসানের ইভা মৌ খামার পরিভ্রমন শেষে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রিফাতুল হোসাইন এর সভাপতিত্বে কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, শরীয়তপুর পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, সিভিল সার্জন ডাঃ খলিলুর রহমান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ^জিত বৈরাগী, জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামাল হোসেন, শরীয়তপুর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক তৌফিকুর রহমান খান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার ও মৌ খামারী জাহিদ হাসান।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, মধু সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে একটি সুরা নাযিল হয়েছে। এতে মধুর গুনাগুন বর্ণনা করা হয়েছে। মধু আমাদের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত একটি বিশেষ নেয়ামত। প্রাচীনকাল থেকে আয়ুর্বেদীক ও ইউনানী শাস্ত্রে এই মধুকে মহৌষধ বলেছেন বহু আগে থেকেই। আধুনিক যুগেও মধুকে বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
    এর আগে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের ও পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেনসহ অতিথিরা জাহিদ হাসানের মৌ খামার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
    এ সময় তারা মাঠ পর্যায়ে মধু উৎপাদন, সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণ ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ ধরণের একটি উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মৌ খামারী জাহিদ হাসানকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান জেলা প্রশাসক।
    মৌ খামারী জাহিদ হাসান বলেন, আমি ইউরোপ দেশে বিভিন্ন খামারে কাজ করার সময় মধু চাষ করতে দেখেছি। পরে দেশে ফিরে এসে কোন কাজকর্ম না পেয়ে বিসিক থেকে প্রশিক্ষণ ও কৃষি অফিস থেকে সহযোগিতা নিয়ে ২০১৫ সালে আমি মৌ খামার গড়ে তুলি। প্রথমে শিরাজগঞ্জ থেকে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে মৌমাছির তিনটি বাক্স কিনে আনি। এখন আমার খামারে ১৭০টি বাক্স রয়েছে। এখানে ৪ জন শ্রমিক কাজ করে। প্রতি মাসে তাদের ৩১ হাজার টাকা বেতন দিতে হয়। গত বছর আমার খামারে প্রায় ৪০ মন মধু উৎপাদন হয়েছে। সাধারণত সরিষা, ধনিয়া, কালোজিরা, লিচু ও বরই ফুল থেকে মধু সংগ্রহ হয়। বিভিন্ন মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে মধু সংগ্রহ করতে হয়। মৌ খামার দিয়ে আমি এখন স্বাবলম্বী। আমার দেখাদেখি আরও দুইজন মৌ খামার দিয়েছে। আমি চাই আরও বেশি করে মৌ খামার গড়ে উঠুক।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নিয়মিত মধু খাই, সুস্থ সুন্দর জীবন কাটাই। মধু এমন একটি অপঁচনশীল মিষ্টি জাতীয় পদার্থ যা মৌমাছিরা ফুলের নেক্টার অথবা জীবন্ত গাছপালার নির্গত রস থেকে সংগ্রহ করে মধুর রূপান্তরিত করে এবং সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান যোগ করে মৌচাকে সংরক্ষণ করে। মধু একটি খুবই উপকারী খাদ্য, পণ্য ও ঔষধ। তাই সকলেই মধু খাবেন। মধু সকল রোগের ঔষধ।

    :: শেয়ার করুন ::

    Comments

    comments

    সংবাদটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন

    দৈনিক রুদ্রবার্তা/শরীয়তপুর/৩১ জানুয়ারি ২০১৯/


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত


    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক রুদ্রবার্তা

  • error: নিউজ কপি করা নিষেধ!!