বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন মজিবুর রহমান মাদবর। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে ফেরেননি তিনি। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাননি। স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন স্ত্রী সীমা রহমান শেষ পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।
গত ২ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে সদর এলাকায় যাওয়ার উদ্দেশে বের হন মজিবুর রহমান। এ সময় নিজের ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন বাসায় চার্জে রেখে যান তিনি। এরপর থেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্ত্রী সীমা রহমানের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে বিদেশ থেকে দেশে ফিরে নিজ বাড়িতে বসবাস করছিলেন মজিবুর রহমান। ঘটনার দিন এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। স্ত্রী তাঁর ফেরার সময় জানতে চাইলে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করেই ফিরে আসবেন বলে জানান। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নিখোঁজ হওয়ার দিন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে শরীয়তপুর বাসস্ট্যান্ডে এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা হয়েছিল মজিবুর রহমানের। তখন ওই আত্মীয়কে তিনি জানান, এক বন্ধুর আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার পর চলে যাবেন। এরপর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
স্বামীর সন্ধান না পেয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে সীমা রহমান ও পরিবারের সদস্যদের। তাঁকে দ্রুত খুঁজে বের করার জন্য নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ভোজেশ্বর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জুবায়ের হোসেন বলেন, “নিখোঁজের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”




মন্তব্য করুন