• ব্রেকিং নিউজ

    বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের লক্ষণ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর উপায়

    রুদ্রবার্তা প্রতিবেদক

    প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সময়: ৯:৫৬ অপরাহ্ণ 26 বার

    কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন এনে আবার সাবধানতার মাধ্যমে ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কখনও বা সাবধান হওয়ার মাধ্যমে ক্যান্সার হলেও সেটাকে নিয়ন্ত্রণে আনা বা কোন কোন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রথম স্টেজেই সনাক্ত করে চিকিৎসার মাধ্যমে খুব খারাপ অবস্থার দিকে যাওয়ার আগেই সেটা ঠেকানো সম্ভব। এক্ষেত্রে চিকিৎসক আপনার জন্য যেটা সবচেয়ে ভালো সেটাই করবেন। তবে আপনি কোনও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন কিনা বা কীভাবে ঝুঁকি কমাতে পারবেন সেটা যেন আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারেন সেজন্য সাজগোজে কিছু ধারণা দেয়া হল।
    ০১. ধূমপান ত্যাগ করুনঃ
    ধূমপান যদি একবারে ত্যাগ করা সম্ভব না হয় তাহলে একটু একটু করে কমানোর চেষ্টা করুন। অ্যামেরিকান মেডিকেল এ্যসোসিয়েশানের এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে কেউ যদি দিনে ২০ টি সিগারেট খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে ১০ টিতে নিয়ে আসেন তাহলে সেক্ষেত্রে তার লাং ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ২৭% কমে যায়। এভাবেই একটু একটু করে কমিয়ে এক সময় ধূমপানের অভ্যাস যদি পুরোপুরি ছেড়ে দিতে পারেন তাহলে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে। যারা ধূমপান করেন তারা মুখের ভেতরের কোন পরিবর্তন দেখতে পেলে দ্রুত চিকিৎসক কে দেখান কারণ জিহবায় বা মুখের ভেতর সাদা সাদা দাগ হলে সেটা ক্যান্সার এর ঠিক আগের স্টেজ কে ইঙ্গিত করে। এই অবস্থাকে বলে ষবঁশড়ঢ়ষধশরধ যা পরবর্তীতে ওরাল ক্যান্সারে পরিণত হয়।
    ০২ ওজন নিয়ন্ত্রণ করুনঃ
    হার্টের সুস্থতার পাশাপাশি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর জন্যও ওজন নিয়ণত্রণ করা উচিত। অতিরিক্ত ওজনের ফলে গল ব্লাডার ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার, কিডনির ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তাছাড়া বংড়ঢ়যধমবধষ, ঢ়ধহপৎবধঃরপ, বহফড়সবঃৎরধষ ক্যান্সারও অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির সাথে জড়িত। তবে এটা মনে রাখবেন যে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা আর ওজন এমনি এমনি কমে যাওয়া দুইটি এক ব্যাপার নয়। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে আপনি পরিমিত পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন কমাতে পারলে বা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে ভালো। কিন্তু এমনি এমনি কোন কিছু না করেই যদি আপনার ওজন কমতে থাকে তখন সেটা চিন্তার বিষয়। যেমন প্রতি মাসে কোন ডায়েট প্ল্যান এবং ব্যায়াম ছাড়াই যদি আপনার ১০ পাউন্ড এর বেশি ওজন কমতে থাকে সেক্ষেত্রে আপনার চিকিৎসকের কাছে যাওয়াটা জরুরী। বিশেষ করে থাইরয়েড এর পরীক্ষা নিরীক্ষা করানোটা জরুরী।
    ০৩ লক্ষণ দেখে বিভিন্ন পরীক্ষা করানোঃ
    বিভিন্ন পরীক্ষা করানোর মাধ্যমে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে এটা বলা ঠিক না। আসলে পরীক্ষা করানোর মাধ্যমে ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থায় সনাক্ত করে সে অনুযায়ী চিকিৎসা করে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। যেমন-
    – যদি টৎরহব বা ঝঃড়ড়ষ এর সাথে রক্ত যায় সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান, কারণ এটি কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। চধঢ় ঃবংঃং ধহফ পড়ষড়হড়ংপড়ঢ়রবং এর মাধ্যমে কোলন ক্যান্সার হওয়ার মত কোন ঝুঁকি বা পরিবর্তন লক্ষ্য করা সম্ভব। তবে সব ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এটা সম্ভব নয়।
    -মেন্সট্রুয়েশান ছাড়াও রক্তপাত হলে ব্লাডার এবং কিডনী পরীক্ষা করানো দরকার।
    -আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির মতে কোন ইনফেকশান বা ঠান্ডা লাগা ছাড়াই দীর্ঘ দিন ধরে জ্বর থাকলে সেটা ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। যেমন প্রথম স্টেজের ব্লাড ক্যান্সার ষবঁশবসরধ অথবা ষুসঢ়যড়সধ.
    -এক গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যে মহিলাদের বিষন্নতা এবং পেট ব্যথার সাথে চধহপৎবধঃরপ ক্যান্সারের সম্পর্ক থাকতে পারে তাই এক্ষেত্রেও পরীক্ষা করানো দরকার।
    – কোন কারণ ছাড়াই যদি ঘন ঘন বদ হজম হয়।
    – কোন কারণ ছাড়া দেহের একই স্থানে সব সময় ব্যথা হলে।
    – ৩/৪ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি থাকলে।
    – ঝঃড়ড়ষ এর রঙ এর পরিবর্তন দেখা গেলে।
    – স্তনে কোন পরিবর্তন দেখা দিলে।
    ০৪. ব্যায়াম করুনঃ
    প্রতিদিন ১৫ মিনিট করে হলেও ব্যায়াম করুন। প্রতিদিন ব্যায়াম করলে তা আপনার ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০% পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারে।
    ০৫. ফল ও শাক সবজি ও কিছু উপকারী খাদ্য গ্রহণঃ
    বিভিন্ন ধরনের খাদ্য আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। টমেটো আর তরমুজে ষুপড়ঢ়বহব থাকে যা ঢ়ৎড়ংঃধঃব পধহপবৎ এর ঝুঁকি কমায়। পাকস্থলি, ব্লাডার, স্তন, কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ভিটামিন সি জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করুন। ঢ়ৎবসবহড়ঢ়ধঁংধষ নারীর জন্য নবঃধ-পধৎড়ঃবহব এবং ভরনবৎ সমৃদ্ধ খাবার যেমন মিষ্টি আলু এবং ভিটামিন সি জাতীয় খাদ্য স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ব্রোকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ডালিম এবং বিভিন্ন ধরনের চা ক্যান্সারের ঝুকি কমাতে সাহায্য করে যেমন-গ্রিন, ব্ল্যাক, হোয়াইট, ড়ড়ষড়হম.
    ০৬. স্টেসমুক্ত থাকুনঃ
    আপনার স্ট্রেস যত বেশি থাকবে আপনি সেটা থেকে মুক্তি লাভের জন্য তত অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসে জড়িয়ে যাবেন যেগুলো ক্যান্সার হওয়ার জন্য দায়ী। যেমন- অতিরিক্ত খাওয়া, অতিরিক্ত ধূমপান। স্ট্রেস মুক্ত থাকার জন্য মেডিটেশান করুন, ব্যায়াম করুন।
    ০৭. পরিবারের সদস্যদের শারীরিক অসুস্থতার ইতিহাস জানাঃ
    বিভিন্ন আত্মীয় বা পরিবারের সদস্যদের বা পূর্ব পুরুষদের শারীরিক অসুস্থতার ইতিহাস জানা থাকলে সচেতন হওয়া সম্ভব।

    :: শেয়ার করুন ::

    Comments

    comments

    সংবাদটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন

    দৈনিক রুদ্রবার্তা/শরীয়তপুর/২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯/


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত


    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক রুদ্রবার্তা

  • error: নিউজ কপি করা নিষেধ!!