• ব্রেকিং নিউজ

    শরীয়তপুরে এবার ঈদের বিনোদনের নতুন সংযোগ ভাসমান রেস্টুরেন্ট

    রুদ্রবার্তা প্রতিবেদক

    প্রকাশিত: ০৫ জুন ২০১৯ সময়: ৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ 4689 বার

    শরীয়তপুরে এবার ঈদের বিনোদনের নতুন সংযোগ ভাসমান রেস্টুরেন্ট

    শরীয়তপুরে ঈদকে সামনে রেখে এই প্রথম উদ্বোধন করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন ভাসমান রেস্টুরেন্ট। শরীয়তপুর জেলা শহর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে শরীয়তপুর-মাদারীপুর সড়কের আংগারিয়া বাইপাস নতুন সড়কের পাশে লেকের মধ্যে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ভাসমান এই রেষ্টুরেন্ট গড়ে তোলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. তাইজুল ইসলামের ছেলে ও জেলা ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম শাওন।

    সোমবার (৩ জুন) রাত ৮টায় রেস্টুন্টেটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুর রব মুন্সী সহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    মেধা ও শ্রম দিয়ে দীর্ঘ চার মাসের প্রচেষ্টায় স্বপ্নের ভাসমান রেস্টুরেন্টটি গড়ে তুলতে সক্ষম হন ছাত্রলীগ নেতা শাওন। নির্মাণ শেষে রেস্টুরেন্টটির নাম দোয়া হয়েছে সম্পা মেরিয়ট বার-বি-কিউ এ- ক্যাফেটেরিয়া-জলস্বপ্ন।

    ড্রামের ওপর লোহার এঙ্গেল, তার ওপর পাটাতন, খুটি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে লোহার জিআই পাইন। লোহার এঙ্গেলের ওপর গোলপাতার ছাউনী। সুন্দবন থেকে আানা হয় গোলপাতা এবং কারিগর। স্থানীয়রা কারিগররা ডিজাইন ও নির্মাণ কাজ করেন এবং সুন্দরবন এলাকা থেকে আসা কারিগররা গোলপাতার ছাউনী দেন। এছাড়া বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে নির্মাণ কাজে। নয়নাভিরাম রেস্টুরেন্টটিতে রয়েছে একটি কিচেন কক্ষ, দুটি কাপল কক্ষ ও একটি উভয় কক্ষ। রেস্টুরেন্টটিতে প্রবেশ করতে এবং এক কক্ষ থেকে আরেক কক্ষে যেতে হবে ভাসমান পুলের ওপর দিয়ে।

    শরীয়তপুরে উল্লেখযোগ্য কোন ভ্রমণ স্পট বা বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় ভাসমান এই রেস্টুরেন্টটি ইতোমধ্যে অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। ভ্রমণ পিপাসু ও বিনোদন প্রেমিদের বেড়ানোর জন্য এই নতুন বাইপাস সড়ক ও লেকের আশপাশে রয়েছে মনোরম পরিবেশ। এক বছর আগে শরীয়পুর-মাদারীপুর সড়কের আংগারিয়া বাজারের পাশ দিয়ে নতুন এই বাইপাস সড়কটি নির্মাণ শেষ হওয়ার পর থেকেই বিকেল হলে দূর দূরান্ত থেকে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নারী পুরুষ, যুবক-যুবতী ও শিশুরা এখানে ঘুরতে আসেন। আর হকাররাও চটপটি, ফুটকা, বাদাম, ঝালমুড়ি, গরম চানাচুর ইত্যাদি বিক্রি করে থাকেন ভ্রমণকারীদের কাছে। ইতোমধ্যে নতুন এই বাইপাস সড়ক ও লেককে কেন্দ্র গড়ে বিভিন্ন দোকানপাট গড়ে উঠতে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এই স্থানটি একটি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

    অ্যাড. তাইজুল ইসলাম বলেন, বিকাল হলেই নতুন পাইপাস সড়ক ও লেকের আশপাশে মানুষ বেড়াতে আসে। ভ্রমণকারীদের কথা চিন্তা করে এবং তাদের বাড়তি বিনোদন দিতে সাইফুল ইসলাম শাওন এই রেস্টুন্টেটি গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। এই রেস্টুরেন্টটি গড়ে তুলতে আমি তাকে সহযোগিতা করেছি। এখানে ভ্রমণকারীদের জন্য মানসম্মত খাবার ও বিনোদনের ব্যবস্থা করা হবে।

    রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম শাওন বলেন, আমাদের শরীয়তপুরে উল্লেখযোগ্য কোন বিনোদন কেন্দ্র নেই বললেই চলে। এই নতুন বাইপাস সড়ক ও লেককে কেন্দ্র করে দূর দূরান্ত থেকে লোকজনের আগমন দেখে আমি ব্যতিক্রম কিছু একটা করার চিন্তা করি। সেই চিন্তা থেকে আমি লেকের মধ্যে এই ভাসমান রেস্টুরেন্টটি গড়ে তুলি। প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪ মাসের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত আমি এই রেস্টুরেন্টটি গড়ে তুলতে সক্ষম হই। এ কাজে পরিবারের সদস্য, আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুরা আমাকে সহযোগিতা করেছে। এখানে ভ্রমণকারীদের জন্য মানসম্মত বিভিন্ন প্রকার চাইনিজ খাবার ও বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে।

    :: শেয়ার করুন ::

    Comments

    comments

    সংবাদটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন

    দৈনিক রুদ্রবার্তা/শরীয়তপুর/০৫ জুন ২০১৯/


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত


    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক রুদ্রবার্তা

  • error: নিউজ কপি করা নিষেধ!!