চলমান পোশাকশ্রমিক আন্দোলনে রাজপথে নামা বিক্ষোভকারীদের পোশাক-পরিচ্ছদ ও শারীরিক গঠন নিয়ে তীব্র সংশয় প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, পোশাকশ্রমিকের ছদ্মবেশে এই আন্দোলনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছেন।
গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের জেরে সৃষ্ট হামলায় চিকিৎসাধীন এক তরুণের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি গণমাধ্যমের সংবাদের ছবি শেয়ার করে দেওয়া এক পোস্টে নিজের এই অবস্থানের কথা প্রকাশ করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমের সেই পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, হেলমেট পরিধান করে কারা আন্দোলনে নেমেছে এবং তাদের বডি ফিটনেস কিংবা পরনের জামাকাপড় দেখে কি আদৌ শ্রমিক বলে মনে হয়? সেখানে তিনি সরাসরি অভিযোগ তুলে ধরেন যে শ্রমিকদের ছদ্মাবরণে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরাই মূলত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।
উল্লেখ্য, প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর মিরপুর ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন পোশাকশ্রমিকরা। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক উত্তেজনা ও দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এরমধ্যেই গাজীপুরে মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে সংঘটিত এক হামলায় গুরুতর আহত তৌফিক মিয়া (২০) নামের এক যুবক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নিহত তৌফিকের স্থায়ী বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায়।
তৌফিকের অকাল মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, কোনো সাধারণ ও নিরীহ শ্রমিকের পক্ষে কখনোই এমন ধ্বংসাত্মক তাণ্ডব চালানো সম্ভব নয়। তাঁর এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আন্দোলনরতদের একাংশের রাজনৈতিক পরিচয় ও নাশকতামূলক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।




মন্তব্য করুন