গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকদের ওপর লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ ও বিজিবি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই এলাকার সাতটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার দুপুরে কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিকই ছিল। তবে বেলা তিনটার দিকে ‘মণ্ডল গ্রুপের’ বেশ কয়েকজন শ্রমিক বেতন বৃদ্ধির দাবিতে জরুন মোড়ের দিকে এগিয়ে আসেন এবং আশপাশের ছয় থেকে সাতটি কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে কাশিমপুর এলাকা থেকে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিল করে জরুনের দিকে আসেন। সে সময় আশপাশের কারখানাগুলোতে উৎপাদন চলছিল। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা চালু থাকা ওই কারখানাগুলোতে ঢিল ছুড়তে শুরু করলে ‘স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের’ কারখানার ভেতরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাঁদের ধাওয়া দেন।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা যৌথভাবে লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেন।
ভাঙচুর ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই সাতটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। তবে এই সাতটি কারখানা ছাড়া গাজীপুরের বাকি সব কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন।



মন্তব্য করুন